ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিধি নিষেধ উপেক্ষা করেই ডিউড্রপস্ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে চলছে পাঠদান

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনা মহামারীতে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও মতলব দক্ষিণ উপজেলার ডিউড্রপস্ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ব্যতিক্রম দেখা গেছে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে এই স্কুলের প্রায় শতাধিক শিশু শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা।

Model Hospital

রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) সকালে এই বিদ্যালয় গিয়ে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে। কোনো শিশু শিক্ষার্থীর মুখে মাস্ক ছিল না। এমনকি ওই সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও মাস্ক ব্যবহার না করেই ক্লাস নিচ্ছেন। ছিল না হাত ধোয়ার সাবান, পানির ব্যবস্থা বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার। সামাজিক দূরত্ব কী, তারা যেন বোঝেই না।

স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে, সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে নিজেদের খেয়াল খুশিমতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে পাঠদান শুরু করেছেন তারা।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোনো নজরদারি দেখছি না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক বলেন, প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কঠোর নির্দেশনার কারণে করোনার মধ্যেও বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে নিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

ডিউড্রপস্ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছায়াদুল্লাহ মিয়া বলেন, “সরকার বিধিনিষেধ শিথিল করায় আমরা ক্লাস শুরু করেছি।” এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুন নাহার বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। যদি সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তদন্ত পূর্বক প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

ট্যাগস :

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

বিধি নিষেধ উপেক্ষা করেই ডিউড্রপস্ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে চলছে পাঠদান

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনা মহামারীতে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও মতলব দক্ষিণ উপজেলার ডিউড্রপস্ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ব্যতিক্রম দেখা গেছে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে এই স্কুলের প্রায় শতাধিক শিশু শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা।

Model Hospital

রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) সকালে এই বিদ্যালয় গিয়ে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে। কোনো শিশু শিক্ষার্থীর মুখে মাস্ক ছিল না। এমনকি ওই সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও মাস্ক ব্যবহার না করেই ক্লাস নিচ্ছেন। ছিল না হাত ধোয়ার সাবান, পানির ব্যবস্থা বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার। সামাজিক দূরত্ব কী, তারা যেন বোঝেই না।

স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে, সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে নিজেদের খেয়াল খুশিমতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে পাঠদান শুরু করেছেন তারা।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোনো নজরদারি দেখছি না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক বলেন, প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কঠোর নির্দেশনার কারণে করোনার মধ্যেও বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে নিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

ডিউড্রপস্ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছায়াদুল্লাহ মিয়া বলেন, “সরকার বিধিনিষেধ শিথিল করায় আমরা ক্লাস শুরু করেছি।” এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুন নাহার বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। যদি সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তদন্ত পূর্বক প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”