রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:১৭ পিএম
বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম এএসআই (নিরস্ত্র) পদ থেকে এসআই (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত সজল কুমার বড়ুয়াকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা সজল কুমার বড়ুয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৫ মার্চ) সকালে অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম এএসআই (নিরস্ত্র) পদ থেকে এসআই (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত সজল কুমার বড়ুয়াকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক পদ বিভাজনকৃত জেলায় বিদ্যমান প্রকৃত শূন্য পদের বিপরীতে তাকে এই বিভাগীয় পদোন্নতি প্রদান করা হয়।

র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান শেষে পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, পদোন্নতি শুধু মর্যাদা বৃদ্ধির বিষয় নয়, বরং এটি দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা আরও বাড়িয়ে দেয়। একজন পুলিশ সদস্য হিসেবে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সেবার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করতে প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে মানবিকতা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণের বন্ধু হিসেবে পাশে দাঁড়িয়ে সেবা দেওয়ার মাধ্যমে পুলিশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ ইকবাল হোসাইন, পিপিএম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ জসীম উদ্দীন চৌধুরী, পিপিএমসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠান শেষে পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা সজল কুমার বড়ুয়া ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।