সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় সম্পত্তি বিরোধে হামলা-ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫০ পিএম
কচুয়ায় সম্পত্তি বিরোধে হামলা-ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কচুয়ায় মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের বুধুন্ডা গ্রামে প্রতিপক্ষের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হয়রানী, মিথ্যা মামলা, হামলা,বাড়িঘর ভাংচুর ও প্রাণ নাশের হুমকি-ধমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবারে সকালে সাপ্তাহিক কচুয়া কন্ঠের পত্রিকার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মোঃ রফিকুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, বুধুন্ডা গ্রামের আব্দুল মতিন গং ২১ ফেব্রুয়ারি আমার দখলি বুধুন্ডা মৌজার ৮২০০ দাগের ২৬০০ খতিয়ানের জায়গা উপর জোরপূর্বক প্রবেশ করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করে। আমি ও আমার ভাই বাধা দিতে গেলে আব্দুল মতিন, তার ছেলে ওয়াসিম ও জসীম উদ্দিনসহ দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর মরিচের গুঁড়া নিক্ষেপ করে এবং এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় আমাকে, ভাই রাসেল ও তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে উদ্ধার করে কচুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয় লোকজন।

Model Hospital

হামলার ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি উভয় পক্ষের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে বলে অনুরোধে আমি কোন মামলা বা অভিযোগ করেনি। গ্রামবাসীর লোকজনের কথা উপেক্ষা করে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে আব্দুল মতিন ৩ মার্চ চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়ের পর কচুয়া থানার পুলিশ আমার ভাই রাসেল ও ফরহাদ হোসেনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। আমরা প্রবাসে থাকার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল মতিনগং আমাদের জায়গা দখলের চেষ্টা ও আমাদের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। বর্তমান আমাদের পরিবার নিরাপত্তাহীনতা রয়েছে ।

তিনি আরো জানান, প্রতিপক্ষ আব্দুল মতিন গংরা আমাদের পরিবারের উপর একাধিক বার হামলা ও নির্যাতন করেছেন। তারা বিভিন্ন সময় তুচ্ছ ঘটকের কেন্দ্র করে আমাদের উপর নানান ভাবে নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ন্যায় বিচার দাবি করছি।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক ও ভুক্তভোগী পরিবার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে দাওয়াতে এসে যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাতজন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩০ এম
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে দাওয়াতে এসে যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাতজন আটক

বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা ওই বাড়িতে লক্ষ্মীপূজার অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। তবে পুলিশ তাদের আটকের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) শেষ বিকেলে উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলুর বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর ছোট ভাই সলিল গুহ পিন্টু, মহিবুল আলম খোকন, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম সরদার, মিঠুন হালদার, ওয়াসকুরনী আকন ও পলাশ হাওলাদার। আটক অপর একজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু বলেন, আমাদের বাড়িতে লক্ষ্মীপূজার অনুষ্ঠান চলছিল। ওই অনুষ্ঠানে আমার কয়েকজন শুভাকাঙ্খীকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল।

Model Hospital

রোববার সন্ধ্যার আগমুহূর্তে বিএনপির কয়েকজন কর্মী-সমর্থক আমাদের বাড়িতে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। পরে তারা লক্ষ্মীপূজার দাওয়াতে আসা ছয়জনসহ আমার ছোট ভাই পিন্টু গুহকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পর সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে।