সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৩ এম
কচুয়ায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কচুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার মত প্রকাশ করেছেন উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি,সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু। ইতিমধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দলীয় নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগণের সাথে তিনি যোগাযোগ করে যাচ্ছে।

এলাকায় বিভিন্ন জনসেবা মূলক সামাজিক, রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে মানবিক ও সামাজিক কাজ করছেন। তারপর প্রার্থিতা ঘোষণার পর উপজেলার প্রতিটি স্থানে পাড়া মহল্লায় চায়ের দোকানে সাধারণ জনগণ তাকে নিয়ে আলোচনা করতে দেখা গেছে।

স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, সততা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ব্যবসায়ী মহল এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,কচুয়ার উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তাকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান তারা। অনেকেই মনে করেন, নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের মাননীয় শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী কচুয়ার সংসদ সদস্য ড.আনম এহছানুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবীর হাত ধরে এলাকার শিক্ষা, খেলাধুলা, সামাজিক উন্নয়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন।

Model Hospital

রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সাথে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের উপজেলা শাখার বর্তমান সহ-সভাপতি ও মালয়েশিয়া যুব দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার অংশগ্রহণ রয়েছে। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন সময় যুবসমাজকে সংগঠিত করা, অসহায়দের সহায়তা প্রদান এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

এদিকে সম্ভাব্য এই প্রার্থী নিজেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ছাত্র জীবন থেকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন ভাই ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী আপার হাত ধরে রাজনীতি করে আসছি। ওনাদের বাহিরে গিয়ে কারো সাথে আমি কখন আপোষ করিনি, ওনাদের দিক নির্দেশনায় আমি রাজনীতি করে আসছি। আমি সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। যদি দল ও জনগণ আমাকে দায়িত্ব দেয়, তাহলে কচুয়ার উন্নয়নে নিজেকে সর্বোচ্চভাবে নিয়োজিত রাখবো।

উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু ঘিরে সমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অনেকেই তাকে একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব প্রার্থী হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র স্পষ্ট হবে। তবুও আগাম আলোচনায় এগিয়ে থাকা প্রার্থীদের মধ্যে শাখাওয়াত হোসেন সাক্কুর নাম শীর্ষে থাকায় কচুয়া রাজনৈতিক মাঠ ইতোমধ্যেই সরগরম হয়ে উঠেছে।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।