রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

‘নেইমারের হারটা মানতে পারছি না’, ফেসবুক পোস্টের ১৫ মিনিট পর যুবকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:১০ পিএম
‘নেইমারের হারটা মানতে পারছি না’, ফেসবুক পোস্টের ১৫ মিনিট পর যুবকের মৃত্যু

মো. জুয়েল রানা—সংগৃহীত ছবি

এলাকায় ভালো ফুটবলার হিসেবে পরিচিত মো. জুয়েল রানা। ছিলেন ব্রাজিল দলের সমর্থক। আজ নরওয়ের কাছে ব্রাজিলের হারে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন।

এদিন বেলা ১১টার দিকে নেইমারের একটি ছবি নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন জুয়েল। ক্যাপশনে লেখেন, ‘দল হারবে, জিতবে কিন্তু নেইমারের জন্য হারটা মানতে পারছি না।’

এই পোস্ট করার ১৫ মিনিট পর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন মো. জুয়েল রানা (২৫)। আজ সোমবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার দারোগা বাজার এলাকায় ঘটে এ দুর্ঘটনা।

নিহত জুয়েল রানা চাম্বল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরিত্ত্যাপাড়া এলাকার শামশুল ইসলামের ছেলে। উপজেলা সদরে নিজেদের কাপড়ের দোকান চালাতেন তিনি।

Model Hospital

পুলিশ জানায়, বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিল ও নরওয়ের খেলা দেখার পর আজ একটু দেরি করে উপজেলা সদরে অবস্থিত দোকানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হন জুয়েল। একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার আগমুহূর্তে ফেসবুকে ব্রাজিলের নেইমারকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট করেন। গাড়ি ছাড়ার ১৫ মিনিট পর তাকে বহন করা সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে আরেকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তার।

নিহত জুয়েল রানার প্রতিবেশী বাপ্পারাজ তালুকদার বলছিলেন, ‘জুয়েল ভালো ফুটবল খেলতেন। কয়েক দিন আগেও চাম্বল মাঠে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। কিন্তু আজ তিনি নেই। এটি মানতে খুব কষ্ট হচ্ছে।’

জুয়েলের ছোট ভাই মো. আরাফাত বলেছেন, ‘ব্রাজিল হারার পর এমনিতেই মন খারাপ ছিল ভাইয়ার। পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে দোকানে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনায় মারা গেলেন তিনি।

জানতে চাইলে বাঁশখালী থানার ওসি মো. রবিউল হক বললেন, ‘আমরা দুর্ঘটনার শিকার দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করেছি। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর সদরের ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কবির হোসেন চোকদার দলীয় নেতাকর্মী এবং এলাকার বিভিন্ন বংশের মুরব্বিদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়ালনগর পাটোয়ারী বাজার মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজরাজেশ্বর প্রধানীয়া বংশীয় মুরব্বি হাজী কাদির প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম চোকদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলী দেওয়ান, এলাকার মুরব্বি কাদির প্রধানীয়া, মোহাম্মদ মিজি, সাইদ দেওয়ান, আব্দুল বেপারী, আমু ঢালী, আলমগীর মাল, শফিকুল কুড়ালী, জাহাঙ্গীর সরকার, আবু বকর পাটোয়ারী, আবুল বকাউল, রহমান প্রধানিয়া, নাসির রাঢ়ি, নবীর দেওয়ান, সেকুল দেওয়ান, এবাদুল্লাহ দেওয়ান, হুমায়ুন বেপারী, ফজল সরকার, মুকবুল আসামি, মানিক ভুঁইয়া, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল মিজি, ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাবুল প্রধানীয়া, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি হানিফ ঢালী, ৪নং ওয়ার্ডে সভাপতি সেকুল বেপারী, ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মাল, ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সরকার, ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাফেজ দেওয়ানা, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাচ্চু বেপারী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচনে আমরা একজন সৎ, আদর্শবান এবং দক্ষ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে চাই। যিনি এই ইউনিয়নকে সত্যিকার অর্থে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে। সেই নেতৃত্বের সকল গুণাবলী আমরা ওই এলাকার কৃতি সন্তান কবির হোসেন চৌকদারের ভেতরে দেখছি। আমরা বিশ্বাস করি তিনি বাবা মায়ের মতোই একজন জনবান্ধব এবং যোগ্য জনপ্রতিনিধি হবেন। তাই দলের প্রতি অনুরোধ করবো আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তাকে যেন দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

কবির হোসেন চোকদার তার বক্তব্যে বলেন, আমার বাবা-মা দুজনেই এই এলাকার জনপ্রতিনিধি ছিলেন। আজ পর্যন্ত তারা কেউ এলাকা ছেড়ে যাননি। আমিও আমার বাবা-মায়ের আদর্শকে ধারণ করে এলাকাবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। এলাকার মানুষের সুখ দুঃখের দীর্ঘ সময় পাশে ছিলাম। জনপ্রতিনিধি হই বা না হই জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এলাকায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাব।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আদর্শে বিশ্বাস করে বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে স্বক্রিয় ছিলাম। তাই আমি বিশ্বাস করি, আমার দল আগামী ইউনিয়ন নির্বাচনে আমাকে মূল্যায়ন করবে। এরপরে দল থেকে যে সিদ্ধান্ত নিবে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই আমি সামাজিক কাজ করে যাব। আমাদের অভিভাবক চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাই রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গডে তোলার এই অগ্রযাত্রায় আমিও একজন সারথী হতে চাই। এজন্য আমি আপনাদের দোয়া, সমর্থন এবং ভালোবাসা কামনা করছি।

সভায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, শ্রমিক দল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব এবং এলাকার মুরুব্বীরা উপস্থিত ছিলেন।