ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মৈশাদীতে রিংজাল বিরোধী অভিযান

স্টাফ রির্পোটার : চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নে ডাকাতিয়া নদীতে রিংজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

Model Hospital

মৈশাদী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুুরুল ইসলাম পাটওয়ারীর নির্দেশনায় ওয়ার্ড সদস্য ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। মঙ্গলবার ১নং ওয়ার্ড সদস্য সোহরাব হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য মানিক গাজী এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযাননে রিংজাল, বেড় জাল, কারেন্ট জাল আটক করে পরিষদে নিয়ে আসা হয়। পরে ইউপি চেয়ারম্যান পরিষদের সামনে জালগুলো পুড়িয়ে পেলেন।

এ সময় নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী বলেন, এখন মাছের ডিম পাড়ার সময়, এখন নদীতে রিং জাল দিয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছ নিধন করলে ডিমওলা মাছগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে। মাছের বিস্তার বিলুপ্ত হবে।

তিনি বলেন, এভাবে রিংজালসহ বিভিন্ন জাল দিয়ে অবাধে নদীতে মাছ নিধন করলে ভবিষৎতে মাছে বিস্তার একে বারে বিলিন হবে। আমাদের নতুন প্রজন্ম দেশীয় মাছ থেকে বঞ্চিত হবে। সরকার রিংজাল দিয়ে মাছ নিধন করা সম্পূর্ন্ন নিষেধ করে দিয়েছে। তবু ও কিছু অসাধু ব্যাক্তি রিংজাল দিয়ে মাছ নিধন অব্যাহত রেখেছে।

এখন থেকে মৈশাদীতে রিংজালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। রিংজাল পুড়িয়ে দেওয়ার সময় ইউপি সচিব আবু বকর মানিক, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটার নাজমা আক্তার, ১নং ওয়ার্ড সদস্য সোহরাব হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য মানিক গাজী উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বিজয়ের গান গাইলেন সুনামগঞ্জের সাংবাদিক রাজু

মৈশাদীতে রিংজাল বিরোধী অভিযান

আপডেট সময় : ০২:৫২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল ২০২২

স্টাফ রির্পোটার : চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নে ডাকাতিয়া নদীতে রিংজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

Model Hospital

মৈশাদী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুুরুল ইসলাম পাটওয়ারীর নির্দেশনায় ওয়ার্ড সদস্য ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। মঙ্গলবার ১নং ওয়ার্ড সদস্য সোহরাব হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য মানিক গাজী এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযাননে রিংজাল, বেড় জাল, কারেন্ট জাল আটক করে পরিষদে নিয়ে আসা হয়। পরে ইউপি চেয়ারম্যান পরিষদের সামনে জালগুলো পুড়িয়ে পেলেন।

এ সময় নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী বলেন, এখন মাছের ডিম পাড়ার সময়, এখন নদীতে রিং জাল দিয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছ নিধন করলে ডিমওলা মাছগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে। মাছের বিস্তার বিলুপ্ত হবে।

তিনি বলেন, এভাবে রিংজালসহ বিভিন্ন জাল দিয়ে অবাধে নদীতে মাছ নিধন করলে ভবিষৎতে মাছে বিস্তার একে বারে বিলিন হবে। আমাদের নতুন প্রজন্ম দেশীয় মাছ থেকে বঞ্চিত হবে। সরকার রিংজাল দিয়ে মাছ নিধন করা সম্পূর্ন্ন নিষেধ করে দিয়েছে। তবু ও কিছু অসাধু ব্যাক্তি রিংজাল দিয়ে মাছ নিধন অব্যাহত রেখেছে।

এখন থেকে মৈশাদীতে রিংজালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। রিংজাল পুড়িয়ে দেওয়ার সময় ইউপি সচিব আবু বকর মানিক, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটার নাজমা আক্তার, ১নং ওয়ার্ড সদস্য সোহরাব হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য মানিক গাজী উপস্থিত ছিলেন।