বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রামপুরে দুই বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন ইউপি চেয়ারম্যান আল মামুন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ৩:৪২ পিএম
রামপুরে দুই বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন ইউপি চেয়ারম্যান আল মামুন
মাসুদ হোসেন : চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি নির্বাচিত হলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোঃ আল মামুন পাটওয়ারী।
জানা যায়, ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মনিহার জি এম ফজলুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মধুরোডে ১৩৯নং ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসার মোঃ আজহারুল ইসলামের স্বাক্ষরিত স্মারক মূলে ২ বছরের জন্য মনিহার জি এম ফজলুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।
এতে সভাপতি হিসেবে রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোঃ আল মামুন পাটওয়ারীকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। পদাধিকার বলে প্রধান শিক্ষক বিলকিছ আক্তার সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন। অনুমোদিত এ কমিটির অভিষেক সভা গত বুধবার ১৮ মে বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক শিক্ষিকাসহ কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও ইউনিয়নের মধুরোডে অবস্থিত ১৩৯নং ভাষা বীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হয়েছেন মোঃ আল মামুন পাটওয়ারী। কমিটিতে পদাধিকার বলে সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক কে এম কামাল।
এ কমিটির অভিষেক সভা সোমবার (২৩ মে) দুপুরে বিদ্যালয় কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে সাবেক কমিটির নেতৃবৃন্দ নব গঠিত কমিটির সভাপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এরপর নব গঠিত কমিটির সকলকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এসময় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ আহসান পাটওয়ারী, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন। সভায় নব নির্বাচিত সভাপতি মোঃ আল মামুন পাটওয়ারী বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পূর্বের কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যাগুলি শুনেন এবং দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ আল মামুন পাটওয়ারী বলেন, মনিহার জি এম ফজলুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী ও এ এলাকার কৃতি সন্তান মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপির পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, এ এলাকার কৃতি সন্তান চাঁদপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু পাটওয়ারী এবং অত্র এলাকার সকলের সহযোগীতা নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন করার সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাবো।
এদিকে নব নির্বাচিত সভাপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্য বৃন্দ। বিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং পড়ালেখার মানোন্নয়নে সকলেই এক হয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।