বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে গরু মোটাতাজাকরণে অ-প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২, ৪:৫০ পিএম
শাহরাস্তিতে গরু মোটাতাজাকরণে অ-প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন
মোঃ মাসুদ রানা : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে গরু মোটাতাজাকরণে অ-প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪- মে) বিকেলে উপজেলা পৌর শহরের সাহেব বাজার এলাকায় শাহরাস্তি যুব উন্নয়নের উদ্যোগে ও জীবন তরী  যুব ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওইদিন “দক্ষ যুবসমৃদ্ধ দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ” আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় বেকার যুবক ও যুবনারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে”এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মমিনুল হক বকাউলের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল প্রোগ্রামে যুক্ত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হুমায়ন রশিদ।
উক্ত অনুষ্ঠানে নির্বাহী অফিসারের প্রতিনিধি হিসেবে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন,  উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা স্বপন দেবনাথ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দেশের বিকাশমান অর্থনীতির চালিকাশক্তির  বড় হাতিয়ার এই যুবসমাজ। বর্তমানে দেশের জনসংখ্যার বিশাল অংশ  যুবক ও যুব মহিলা। সরকার এই যুবসমাজকে যুব উন্নয়নের আওতাধীন বিভিন্ন ট্রেডে প্রাতিষ্ঠানিক – অ-প্রাতিষ্ঠানিক ট্রেনিং ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে নানানভাবে সুযোগ করে দিচ্ছে। চাইলে যে কেউ এ সুযোগ গ্রহণ করে ব্যক্তিগত সচ্ছলতা ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আজকের গরু মোটাতাজাকরণের প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি তারই অংশ।
অন্যান্য অতিথির মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী হুমায়ুন কবির, যুব উন্নয়নের চাঁদপুর জেলা প্রশিক্ষক শরিফুল ইসলাম, উপ-সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবুল বাশার, সাবেক কাউন্সিলর সমাজসেবক নাজির হোসেন, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, জীবন তরী যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি ছায়েদুল হক সুমন সহ-সভাপতি ফারজানা আক্তার সহ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সম্পদ সাহা।
পরিশেষে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সমাপনী বক্তব্য বলেন, ইতোমধ্যে সাহেব বাজারের জীবন তরী যুব ফাউন্ডেশন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত সফলতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। তারা ইতিমধ্যে  মাদক, বাল্যবিয়ে, সন্ত্রাস, ইভটিজিং বিষয়ে সচেতনতা এবং রক্তদান, বনায়ন, করোনাকালীন মুমূর্ষু রোগীকে অক্সিজেন সরবরাহ করে সকলের দৃষ্টি কাড়ে। আজ এই গরু মোটাতাজাকরণের এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে প্রশিক্ষণার্থীরা উপকৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।