শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দের সাথে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২, ৫:০০ পিএম
চাঁদপুরের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দের সাথে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মতবিনিময়

ক্যাম্পাস রিপোর্ট : মেঘনাপাড়ের বাতিঘর বলে খ্যাত চাঁদপুর সরকারি কলেজের কনফারেন্স কক্ষে ২৫ জুন (শনিবার) বেলা আড়াইটায় চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজ, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজ এবং চাঁদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষকবৃন্দের সাথে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মশিউর রহমানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশের সভাপ্রধানে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের মাটি ও মানুষের নেত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।

চাঁদপুর সরকারি কলেজের পদার্থবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বাহারের সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ আল আমিন। পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক গোপাল কৃষ্ণ ভৌমিক। ২০০৯ সাল থেকে চাঁদপুর সরকারি কলেজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ এডুকেশন ডেভেলপম্যান্ট প্রজেক্ট (সিইডিপি) এ চাঁদপুর সরকারি কলেজের কার্যক্রমের উপর পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কিউ এম হাসান শাহরিয়ার। পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের উপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়। চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবুল খায়ের খান তাঁর কলেজের উন্নয়নমূলক কাজের বিবরণ এবং চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে সভায় আলোকপাত করেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবুল খায়ের সরকার, পুরান বাজার কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার।

Model Hospital

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মশিউর রহমান চাঁদপুরের তিন কলেজের শিক্ষকবৃন্দের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করেন।

সভাপ্রধানের বক্তব্যে প্রফেসর অসিত বরণ দাশ বলেন, ‘আজ চাঁদপুর সরকারি কলেজ তথা চাঁদপুরবাসীর আনন্দের দিন। আজ ২৫ জুন, আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হয়েছে। এটা আমাদের গর্বের বিষয়, আজ আমাদের অহংকারের দিন, বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের সক্ষমতা জানানোর দিন। সে দিনই শিক্ষা পরিবারের অভিভাবক, আমাদের চাঁদপুর সরকারি কলেজ যার সংস্পর্শে ধন্য, যিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজকে মায়া-মমতার বন্ধনে আগলে রেখেছেন, আমাদের প্রিয় শিক্ষামন্ত্রী আমাদের মাঝে উপস্থিত। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য উপস্থিত থেকে আমাদেরকে কৃতার্থ করেছেন। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, বাংলাদেশের সামনে শিক্ষায় যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, চাঁদপুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে কার্যকর করার জন্য যথাযথ ভূমিকা পালন করবে। দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে চাঁদপুর সরকারি কলেজের আগ্রযাত্রা আরো বেগবান হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মশিউর রহমান বলেন, ‘‘সিইডিপি প্রজেক্টে যে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ রাখা হয়েছে তা অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে ব্যবহার করা হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে। অচিরেই আমরা সিইডিপি-২ নামে ২য় প্রজেক্ট শুরু করতে যাচ্ছি, যেখানে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, গবেষণা, বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রি এবং জার্ণালে লেখা প্রকাশ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বরাদ্ধ বৃদ্ধি করা হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই শিক্ষকদেরও প্রস্তুত থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি করতে হলে অবশ্যই শিক্ষকদেরও দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে।’’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আজ ২৫ জুন, আমাদের অত্যন্ত আনন্দের দিন। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশে এগিয়ে চলছে, স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে। আনন্দঘন এই দিনে চাঁদপুরের তিনটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দের মাঝে নিজেকে দেখতে পেয়ে আমার খুব ভাল লাগছে। আমাদের এই সময়ে, গত সাড়ে তিন বছরে শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা অনেক এগিয়েছি। আমরা চেয়েছি কলেজ পর্যায়ে শিক্ষকরা যেন জার্ণাল প্রকাশ করে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, চাঁদপুর সরকারি কলেজসহ অনেকগুলি কলেজই এখন নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা জার্ণাল প্রকাশ করছে। এই জার্ণালগুলোর মান অনেক উন্নত এবং সেখানে মৌলিক গবেষণা হচ্ছে। যেমনটি আমরা চেয়েছি, ঠিক তেমনটি আমরা পেয়েছি। শিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। দক্ষ জনশক্তি, দক্ষ জনসম্পদ তৈরির চেষ্টায় চাঁদপুরের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলছে।’

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি চাঁদপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছলে অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবুল খায়ের সরকার এবং শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল হাছান তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। কলেজ ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্প-স্তবক অর্পন করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital