শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

এইচএসসিতে চাঁদপুর জেলায় ৩য় স্থানে জিলানী চিশতী কলেজ: পাশের হার ৭৬.২৭% : এপ্লাস ১জন

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
এইচএসসিতে চাঁদপুর জেলায় ৩য় স্থানে জিলানী চিশতী কলেজ: পাশের হার ৭৬.২৭% : এপ্লাস ১জন
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কুমিল্লা’র অধীন চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজে ২০২৬ইং সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল সাফল্যজনক  ও  চাঁদপুর জেলায় ৩য় স্থান অধিকার করেছে।
৩১অক্টোবর (শনিবার) বেলা ১১টায় সারাদেশে একযোগে এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৫৯জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে ৪৫জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। পাশের হার শতকরা ৭৬.২৭ ভাগ।
এর মধ্যে জিপিএ-৫ (এ+) পেয়েছে-১জন, এ গ্রেড পেয়েছে-৮জন, এ- গ্রেড পেয়েছে-৯জন, বি গ্রেড, পেয়েছে-১৪জন, সি গ্রেড পেয়েছে-১১জন, ডি গ্রেড পেয়েছে-২জন।
এইচ.এস.সি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (এ+) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর নাম-রুপা রানী দাস, পিতা-খোকন চন্দ্র সরকার, মাতা-চম্পা রানী সরকার, গ্রাম-হামানকর্দ্দি, পো- শাহতলী বাজার, উপজেলা-চাঁদপুর সদর, জেলা-চাঁদপুর। তার বোর্ড রোল নং-৩৬১৩৬৯, রেজি: নং-২১১১৭৩৮১৯৫, বিভাগ-মানবিক।
এদিকে, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্যজনক ফলাফল অর্জন,  জিপিএ-৫ (এ+) প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রানঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন জিলানী চিশতী কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: কামরুল হাসান সহ সকল শিক্ষকবৃন্দ ও গভর্নিং বডির সদস্যবৃন্দ।

হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজে ফেল ৭২০ জন, উপজেলায় পাসের হার ৪৪.৩৪ শতাংশ

মেহেদি হাসান রিমেল প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৫ পিএম
হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজে ফেল ৭২০ জন, উপজেলায় পাসের হার ৪৪.৩৪ শতাংশ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার ৪৪.৩৪ শতাংশ। গত চার বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজে ১ হাজার ২৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছে ৭২০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৭ জন। এমন ফলাফলে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় হাজীগঞ্জ উপজেলার ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার ৭১৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ২০৩ জন। সে হিসাবে উপজেলায় পাসের হার ৪৪.৩৪ শতাংশ।

গত চার বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২ সালে হাজীগঞ্জে পাসের হার ছিল ৯৭.১২ শতাংশ। ২০২৩ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৭৭.৯৭ শতাংশে। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৬৭.৮৬ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে তা আরও কমে হয় ৫৭.৩০ শতাংশ। সর্বশেষ ২০২৬ সালে পাসের হার নেমে এসেছে ৪৪.৩৪ শতাংশে।

উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে সর্বোচ্চসংখ্যক শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৭৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪০৯ জন। পাসের হার ৫৩.৩৯ শতাংশ। এ ছাড়া এ কলেজ থেকে সর্বোচ্চ ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

Model Hospital

কাকৈরতলা জনতা কলেজ থেকে ১০৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ৫৫ জন। পাসের হার ৫২.৮৮ শতাংশ। দেশগাঁও ডিগ্রি কলেজ থেকে ১১১ জনের মধ্যে পাস করেছে ৫৮ জন। পাসের হার ৫২.২৫ শতাংশ।

হাজীগঞ্জ আইডিয়াল কলেজ অব এডুকেশন থেকে ৩১ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৫ জন। পাসের হার ৪৮.৩৮ শতাংশ।

বলাখাল মকবুল আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ৮৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১১ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১২.৭৯ শতাংশ, যা উপজেলার ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বনিম্ন।

নাসিরকোট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ থেকে ১২৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩০ জন। পাসের হার ২৩.৪৪ শতাংশ। হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৯৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩০ জন। পাসের হার ৩০.৬১ শতাংশ।

এ ছাড়া ধড্ডা মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে ১১২ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩৮ জন। পাসের হার ৩৩.৯৩ শতাংশ।

সার্বিকভাবে হাজীগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার টানা চার বছর ধরে কমছে। বিশেষ করে হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজে ৭২০ জন শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা মাত্র সাতটিতে সীমাবদ্ধ থাকা ফলাফল নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।