সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে ডাকাত সন্দেহে কোস্টগার্ডের হামলায় ১ জেলে নিখোঁজ, আহত ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০২২, ৮:৪৩ এম
হাইমচরে ডাকাত সন্দেহে কোস্টগার্ডের হামলায় ১ জেলে নিখোঁজ, আহত ২
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচরে মেঘনা নদীতে ডাকাত সন্দেহে কোস্টগার্ডের ধাওয়ায় এক জেলে নিখোঁজ ও২জন আহত হয়েছে।
৩০ জুন বৃহস্পতিবার রাত ৪ টায় কোস্টগার্ড জেটি সংলগ্ম কাটাখালি মাছ ঘাট মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ মোহাম্মদ আলী (৫০) শরিয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ সখিপুরের হোসেন বেপারীর ছেলে।
এ ঘটনায় আহত ২ জন একই এলাকার মজিবর মিয়ার ছেলে খিজির মিয়া (২৮) ও অলি মিয়া মালের ছেলে বিল্লাল। নিখোঁজ জেলের সন্ধানে হাইমচর ফায়ার সার্ভিস, কোস্টকার্ড কাজ করে যাচ্ছে।
আহত বিল্লাল জানান, নদীতে মাছ ধরার জন্য এক ট্রলারে করে ৭ জন জেলে নদীতে যান। রাত ৪ টার সময় কোস্টগার্ড তাদের কারেন্ট জাল ছিনিয়ে নেয়ার জন্য তাদেরকে ধাওয়া করে। তারা কোস্টগার্ডের ভয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করে।
কোস্টগার্ড তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল মারাসহ লাঠি দিয়ে এলোপাতালি মারতে থাকে। কোস্টগার্ডের বোটটি জেলেদের ট্রলারের উপর উঠিয়ে দিলে তাদের সাথে থাকা মোহাম্মদ আলী নামের জেলে নদীতে পরে যায়। কোস্ট গার্ড তাদের ৬জনকে তাদের বোটে উঠিয়ে বেঁধে রাখে। বিল্লাল বলেন, আমরা কোস্টগার্ডকে যত বলেছি স্যার আমাদের একজন ট্রলার থেকে নদীতে পরে গেছে। তাকে বাঁচান। তারা উল্টো আমাদেরকে মারতে থাকে। কোস্টগার্ড আমাদের নৌকাকে তাদের বোটের সাথে বেঁধে জেটিতে নিয়ে যায়। ভোর হওয়ার সাথে সাথে আমাদেরকে মাঝ নদীতে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেয়। আমরা হাইমচর হাসপাতালে এসে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হই। হাইমচর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেছি।
কোস্টগার্ড সিসি গোলাম আলি আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৩টা ৩০ মিনিটে আমাদের কাছে ফোন আসে নদীতে ২টি ট্রলারে বেশ কিছু ডাকাত সদস্য ডাকাতি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।  আমরা রাত ৪টার সময় টিম নিয়ে নদীতে যাই। নদীতে একটি ট্রলারে ৬ জনের মত লোক দেখতে পাই এবং তথ্য মতে ২ টি ট্রলারের একটিতে জালসহ বেশ কয়েকজন লোক আছে জানতে পারি। এ ট্রলারটি যখন আমাদের সামনে পরে তখন তাদের দাড়ানোর জন্য বলা হয়। তখন তারা বোটটি আরো দ্রুত চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমারা তাদের ধরতে গেলে তারা আমাদের উপর হামলা চালায়।
এক পর্যায়ে আমরা তাদের ধরতে পারি। তাদের আটক করে জেটিতে নিয়ে আসি। যাচাই বাচাই করে দেখলাম তারা ডাকাত সদস্য না। তাই তাদের ৬জনকেই আমরা ছেড়ে দেই। সকাল বেলা শুনি তাদের একজন নাকি নিখোঁজ। তাদের লোক নিখোঁজ রয়েছে তারা আমাদের বলেনি। সকাল ৭ টায় শুনতে পাই তাদের লোক একজনকে পাওয়া যায় না। আমরা শুনার সাথে সাথে নদীতে খোঁজতে নেমে যাই। আমরা এখনো নিখোঁজ জেলের সন্ধানে নদীতে কাজ করে যাচ্ছি।

বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী দেশে ফেরায় তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রবীণ-নবীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এতে অংশ নেন।

আব্দুল করিম বেপারী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি রাজারগাঁও ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সমান ভাবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মমিন ভাইয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করব। রাজারগাঁও ইউনিয়নকে অন্যায়, অনিয়ম,অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট মুক্ত – একটি সুন্দর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

Model Hospital

এদিকে সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তারা আব্দুল করিম বেপারীকে রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আব্দুল করিম বেপারী বলেন, “আমার নেতাকর্মী, সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।”