শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

এমপিও ভুক্ত হলো চাঁদপুর জেলার ২০ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২, ৫:৫৯ পিএম
এমপিও ভুক্ত হলো চাঁদপুর জেলার ২০ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
মাসুদ হোসেন : এ বছর নতুন করে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ তিন বছর পর নতুন করে এসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে চাঁদপুর জেলার ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৫টি ও উচ্চমাধ্যমিক ৩টি।
বুধবার (৬ জুলাই) এক অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এরপর দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি। বিকালে এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর জেলার বিশ এমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিম্ম মাধ্যমিকের তালিকায় হাজীগঞ্জ উপজেলার আল বান্না জুনিয়র গার্লস স্কুল ও শাহরাস্তি উপজেলার মৌলভী আকরাম আলী মজুমদার জুনিয়র হাই স্কুল। মাধ্যমিকের তালিকায় কচুয়া উপজেলার পানশাহী পিওনির উচ্চ বিদ্যালয়, পাথৈর উচ্চ বিদ্যালয়, মতলব দক্ষিণ উপজেলার ডিংগাভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, মতলব উত্তর উপজেলার আলী আহম্মদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়, সিদ্দিকিয়া বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাইমচর উপজেলার মোয়াজ্জেম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার আদর্শ একাডেমি ফরিদগঞ্জ, পূর্ব বড়লি শাহজাহান কবির উচ্চ বিদ্যালয়, কেরোয়া হোসনেয়ারা বেগম আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ সেলিম উচ্চ বিদ্যালয়, হাজীগঞ্জ উপজেলার মৈশাইদ পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়, শাহরাস্তি উপজেলার শাহরাস্তি মডেল স্কুল, হোসাইনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মনিরা আজিম একাডেমি। উচ্চমাধ্যমিকের তালিকায় কচুয়া উপজেলার নিন্দপুর মহিউদ্দিন খান আলমগীর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, চাঁদপুর সদর উপজেলার কামরাঙা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ ও শাহরাস্তি উপজেলার খিলা বাজার স্কুল এন্ড কলেজ।
সারা বাংলাদেশে এমপিও ভুক্ত নতুন দুই হাজার ৭১৬ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬৬ টি নিন্ম মাধ্যমিক, এক ১২২ টি মাধ্যমিক, ১৩৬ টি উচ্চমাধ্যমিক, ১০৯ টি উচ্চমাধ্যমিক কলেজ ও ১৮ টি ডিগ্রি কলেজ। এদিকে চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজকে এমপিও ভুক্ত করায় এ ইউনিয়নের কৃতি সন্তান চাঁদপুর-৩ আসনের সাংসদ শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনি ও অত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জাওয়াদুর রহিম টিপু পাটওয়ারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আল মামুন পাটওয়ারীসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীর পাশাপাশি খুশি এ এলাকার বাসিন্দারাও।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।