বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০২২, ৬:২২ পিএম
ফরিদগঞ্জে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা
এস এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে দুই সন্তানের জননী রিমা বেগম (২৫) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
১৯ আগষ্ট শুক্রবার বিকালে ১৬ নং দক্ষিন ইউনিয়নের চরমান্দারী গ্রামের আইনুদ্দিন বেপারী বাড়ির প্রবাসী শফিকের স্ত্রী রিমি বেগম (২৫)  গলায় ফাঁস দেয়। পরে শশুর তসলিম বেপারী সহ প্রতিবেশীরা ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। এরপর থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
আত্মহত্যা কারী রিমি বেগমের শশুর তসলিম মিয়া জানান, জুমার নামাজ আদায় করার পর দোকানে যান। পরে বাড়ি থেকে খবর আসে  পূত্রবধু রিমি গলায় ফাঁস দেয়। তৎক্ষনাৎ আমরা তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। তবে কি কারনে আত্নহত্যা করেছে সেটা আমি বলতে পারি না।
কোন প্রকার কারণ ছাড়া এ আত্মহত্যা কেন করলো এ নিয়ে এলাকায় জোরালো প্রশ্ন উঠেছে। সকলের দাবী প্রকৃত ঘটনা ও রহস্য জানা প্রয়োজন। এ জন্য তারা পুলিশের যথাযথ তদন্তকার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াদিন রয়েছে।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।