মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

শতবর্ষে মাতৃপীঠ -এর লোগো ও স্মরণকথার মোড়ক উন্মোচন করলেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২, ১:০৮ পিএম
শতবর্ষে মাতৃপীঠ -এর লোগো ও স্মরণকথার মোড়ক উন্মোচন করলেন শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী নারী শিক্ষার প্রতিষ্ঠান মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য আয়োজন কার্যক্রম অনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়েছে।
এ উপলক্ষে ১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উৎসবমুখর আয়োজনে ‘শতবর্ষে মাতৃপীঠ’ এর লোগো এবং স্মরণকথার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে লোগো এবং স্মরণকথার মোড়ক উন্মোচন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।
এসময় তিনি বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে কেক কেটে শতবর্ষ উদযাপন কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন।

শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, একটি বিদ্যালয় শতবর্ষ টিকে থাকা অনেক গর্বের বিষয়। শতবর্ষের মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চাঁদপুরের গর্ব। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অনেক শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চাঁদপুরে সুনাম বয়ে বেড়ায়।
আমার মা এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।

এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারী করনে আমার পিতার অনেক অবদান রয়েছে। যার ফলে এই বিদ্যালয়টি আমার অন্যরকম আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা।

ডা. দীপু মনি বলেন, এখনো যারা এই বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রার সাথে জড়িয়ে আছেন, তাদেরকে আমি ব্যক্তিগতভাবে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই। বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনের কার্যক্রম চলছে। যেখানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ঘটবে। যারা এ আয়োজনের উদ্যোগতা তাদের সকলকে আমি ধন্যবাদ জানাই। আমি সব সময় এ প্রতিষ্ঠানটির উত্তর উত্তর সাফল্য কামনা করি।

Model Hospital

মাতৃপীঠ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রানকৃষ্ণ দেবনাথের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শতবর্ষ উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব মনিরা আক্তার।

শতবর্ষী উদযাপন উপস্থাপনা উপ-কমিটির সদস্য সচিব রোটারিয়ান ডা. রাশেদা আক্তার ও প্রচার উপ-কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সায়েরা কাকলীর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বশির আহমেদ, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলস, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নূর হোসেন খান, ফজিলাতুন্নাহার বেগম, শতবর্ষী উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আফরোজজাহান আখন্দ প্রমুখ।

এসময় শতবর্ষে মাতৃপীঠ উদযাপন কমিটি ও বিভিন্ন উপ-কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ibn sina diabeties

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।