শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচারণার শেষ দিনেও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২২, ৬:০৮ পিএম
চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচারণার শেষ দিনেও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা
মাসুদ হোসেন : আসন্ন ১৭ অক্টোবর চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে শেষ মুহুর্তে জমজমাট হয়ে উঠেছে নির্বাচনী এলাকাগুলো।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতীক পেয়ে প্রচার প্রচারণায় নেমেছেন চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যসহ ৪৮ প্রার্থী। সেই থেকে শনিবার ১৫ অক্টোবর ছিল প্রচারণার শেষ দিন। প্রচার প্রচারনার শেষ দিনেও জেলার ৮ উপজেলার প্রার্থীরা শেষ বারের মত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কুশল বিনিময় করে তাদের কাছ থেকে ভোট প্রার্থনা করেন। এবং তাদেরকে দিয়েছেন নানা প্রতিশ্রুতি।
শনিবার (১৫ অক্টোবর) কয়েকটি উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, ভোটারদের কাছে কাছে দিনভর ছিল প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ। প্রতিটি পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের সাথে শেষবারের মতো মতবিনিময় করেছেন প্রার্থীরা।
প্রত্যেক প্রার্থী নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে নানামুখি কৌশল অবলম্বন করেছেন। দোয়া ও ভোট প্রার্থনার পাশাপাশি উন্নয়নের বুলি ও প্রতিশ্রুতি দিতে কম নেই কারো। জেলার ৮টি ওয়ার্ডে এক হাজার ২৫৯ জন জনপ্রতিনিধি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটোয়ারী মোবাইল প্রতীক ও আনারস প্রতীকে মোঃ জাকির হোসেন প্রধানীয়া প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই নির্বাচনের মাঠ চষছেন ৩৪ জন সাধারন সদস্য (পুরুষ) ও ১২ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য।
এদের মধ্যে চাঁদপুর জেলা পরিষদের ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর) থেকে ৭ জন, ২নং ওয়ার্ড (হাইমচর) থেকে ২ জন, ৩নং ওয়ার্ড (ফরিদগঞ্জ) থেকে ৪ জন, ৪নং ওয়ার্ড (মতলব দক্ষিণ) থেকে ৪ জন, ৫নং ওয়ার্ড (মতলব উত্তর) থেকে ৪ জন, ৬নং ওয়ার্ড (কচুয়া) থেকে ৫ জন, ৭নং ওয়ার্ড (হাজীগঞ্জ) থেকে ৩ জন ও ৮নং ওয়ার্ড (শাহরাস্তি) থেকে ৫ জন সাধারণ সদস্য (পুরুষ) এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসেবে ১নং ওয়ার্ড (সদর, ফরিদগঞ্জ, হাইমচর) থেকে ৩ জন, ২নং ওয়ার্ড (মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, কচুয়া) থেকে ৪ জন ও ৩নং ওয়ার্ড (হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি) থেকে ৫ জন। তবে এদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন কারনে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।  কয়েকজন ভোটারের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমরা চাই একজন প্রকৃত ব্যক্তি। যার দ্বারা হবে এলাকার উন্নয়ন। সৎ ও নির্লোভ ব্যক্তি জয়ী হলে সরকারের দেয়া বরাদ্দগুলো সুষ্ঠুভাবে বন্টন হবে এটা আমাদের প্রত্যাশা। এদিকে যেকোন পরিস্থিতিতে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে সুষ্ঠু ভোটের নিশ্চয়তা চান ভোটাররা।
এদিকে সুষ্ঠু ভোটের নিরাপত্তার বিষয়ে চাঁদপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার আট উপজেলার ৮টি ভোটকেন্দ্রে ১৬টি বুথে ৩টি করে সর্বমোট ৪৮টি সি সি ক্যামেরা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সেই সাথে প্রত্যেক কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital