রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রযুক্তির বিকল্প নেই; শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২, ২:১৪ পিএম
শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রযুক্তির বিকল্প নেই; শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি

সজিব খান : চাঁদপুরে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় ভাসুয়ালী চাঁদপুর স্টেডিয়ামে মেলার প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি।

এ সময় তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছেন। বঙ্গন্ধুর সোনার বাংলা বির্নিমানে ডিজিটাল বাংলাদেশের বিকল্প নেই। আজকের এ ডিজিটাল প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে যারা দেশের জন্য অকাতরে প্রাণ দিয়েছে, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশ, তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের কারনেই বাংলাদেশ আজ ডিজিটালে রুপান্তরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, সবার হাতে হাতে আজকে যে মোবাইল ফোন আছে, ল্যাপটপ আছে, এর মাধ্যমে দূর আলাপন হচ্ছে, এসব কিছুই ডিজিটালের কারনেই সম্ভাব হয়েছে। এ ডিজিটালের কারনে আমরা আজ সারা বিশ্বের সাথে সংযুক্তি থাকতে পারছি।

তিনি বলেন, জ্ঞান বিজ্ঞানে ডিজিটালের বিকল্প নেই। প্রযুক্তির মাধ্যমে জ্ঞান, বিজ্ঞান নিয়ে দেশে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে, তরুন প্রজন্ম নতুন উদ্ভাবনী তৌরি করছে। প্রযুক্তিকে নিয়ে সবাই কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে নতুন নতুন পরিসংখ্যাণ সর্ম্পকে সবাইকে জানতে হবে। আজকের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রযুক্তির বিকল্প নেই। আমাদের শিক্ষার্থীদের আরো দক্ষ্য করে গড়ে তুলতে হবে। নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে, বৈষম্যকে দূরে করতে হবে, কম্পিউটার, মেবাইল ডিভাইস নিয়ে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু কণ্যা সারা দেশেই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ডিজিটাল সেবা চালু করেছে।

Model Hospital

তিনি বলেন, আগামী বছরের মধ্যে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট চালু করা হবে, শিক্ষা ব্যবস্থার সাফল্য নিয়েই কাজ করছি। যে কোন প্রযুক্তি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে মানব সেবার উন্নয়ন করতে হবে। নতুন নতুন ডিভাইসের মাধ্যমে নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে। মানুষের অমঙ্গল হয়, এমন প্রযুক্তি ব্যবহার থেকে দূরে থাকতে হবে। ডিজিটালের কারনেই আজ আমাদের হাতের মুঠো সব কিছু চলে আসছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে এগিয়ে যাচ্ছে, এসব কিছুই সম্ভাব হয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারনেই। এ ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৈষম্যকে দূরে করে আমাদের ভবিষ্যৎতের জন্য কাজ করতে পারলেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে নাট্য ও সংবাদকর্মী এম আর ইসলাম বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ পিপিএম বার , জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, চাঁদপুর পৌর মেয়র অ্যাডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল, চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ, পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সুধিজন, রাজনীতিবিদ উপস্থিত ছিলেন। মেলায় মোট সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ৭০টি স্টল তাদের কর্মকান্ড জনসমুক্ষে তুলে ধরেন।

চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৮ এম
চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সদর উপজেলা বিএনপি। দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে জমি-জমা সংক্রান্ত সালিশে জড়ানো এবং সালিশের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানির অভিযোগে তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) তারিখের ওই পত্রে স্বাক্ষর করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন ও সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী ঢালী।

পত্রে উল্লেখ করা হয়, জমি-জমা সংক্রান্ত দেনদরবার ও সালিশ বৈঠকে না জড়ানোর জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে চিঠির মাধ্যমে সব নেতাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। স্বপন মাহমুদকেও আগে চিঠি ও মৌখিকভাবে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, উপজেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বপন মাহমুদ ৪ অক্টোবর রাতে সালিশ বৈঠকের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানি করেছেন।

Model Hospital

এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্ত অমান্য করার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।