বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে পকেটমারদের কবলে পড়ে যাত্রীরা হারাচ্ছেন মোবাইল মানি ব্যাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২২, ৬:১৯ এম
চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে পকেটমারদের কবলে পড়ে যাত্রীরা হারাচ্ছেন মোবাইল মানি ব্যাগ
মাসুদ হোসেন : চাঁদপুর-লাকসাম-চট্টগ্রাম রেলপথের চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে বৃদ্ধি পেয়েছে ছিনতাইকারী ও পকেটমারদের দৌরাত্ম্য।
চাঁদপুর জেলা শহরের কেন্দ্র এ স্টেশনে সাগরিকা ট্রেনসহ আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ থাকায় এখানে যাত্রীর আনাগোনা থাকে বেশি। যাত্রীদের উঠা নামার ব্যস্ততার সুযোগে চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশনে বেড়ে গেছে অপরাধ প্রবণতা। এ অবস্থায় ট্রেন যাত্রীরা পড়ছেন বিপাকে। পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠছে এ স্টেশনটি। তাদের কবলে পড়ে এ স্টেশনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে চাঁদপুর বড় স্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে আসে সাগরিকা ট্রেন। এ ট্রেনের ‘গ’ বগির ২৬নং আসনের এক যাত্রী মোঃ আরিফ হোসেন (২০) চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ট্রেনে উঠলে ট্রেন ছাড়ার সাথে সাথে দেখেন তার ব্যবহৃত এমআই ব্র্যান্ডের স্মার্ট ফোনটি পকেটে নেই। পরবর্তীতে তিনি মধুরোড স্টেশনের রেলওেয়ের দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করে চলে যান চট্টগ্রামে।
তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ পাইকাস্তা গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। পেশায় একজন আনসার সদস্য। তার মা জানান, আমার ছেলে চট্টগ্রামে একটি চাকরি করে এবং এবছর চলমান ফাজিল পরীক্ষা দিতে বাড়িতে এসে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশনে তার ০১৬১৬৩২৪৯২৮ নম্বরের মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায় কে বা কাহারা।
এর আগেও এ স্টেশনে যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন কিংবা মানি ব্যাগ ছিনতাই হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০ টার দিকে চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশন মাষ্টার মোঃ কাউছার হোসেন এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ট্রেন আসলে ভিড়ের মধ্যে ছিনতাইয়ের ঘটনার বিষয়ে চাঁদপুর জিআরপি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মুরাদ উল্যা’র সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনাগুলো মূলত ট্রেন আসলে কিংবা ছাড়ার মূহুর্তে ঘটে থাকে। তবে যারাই ভুক্তভোগী তারা যদি ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য কিংবা রেলওয়ে থানায় অভিযোগ করেন তাহলে আইএমই নাম্বার দিয়ে ও প্লাটফর্মের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে অপরাধীদের খুঁজে বের করতে পারি আমরা। ট্রেন আসলে প্লাটফর্মে জিআরপি পুলিশ নিয়জিত থাকে সবসময়।
এছাড়াও আমরা এসব চুরি ছিনতাই প্রতিরোধে ট্রেন এবং স্টেশনগুলোতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সমাবেশ করে থাকি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital