শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল নৌ-পথের যাত্রীদের দীর্ঘ দিনের দাবীর প্রেক্ষিতে

চাঁদপুর-ঢাকা-বরিশাল রুটে ঈদে বিশেষ রকেট স্টিমার ও ফেরি সার্ভিস চালুর সিদ্ধান্ত

বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৩, ৩:০৯ পিএম
চাঁদপুর-ঢাকা-বরিশাল রুটে ঈদে বিশেষ রকেট স্টিমার ও ফেরি সার্ভিস চালুর সিদ্ধান্ত

ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল নৌ-পথের যাত্রীদের দীর্ঘ দিনের দাবীর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্পোরেশন ঈদ উপলক্ষে ম্পেশাল রকেট-স্টিমার চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহন করলেও এ পথের হাজার-হাজার যাত্রীরা এ পথে স্থায়িভাবে রকেট- স্টিমার চলাচলের দাবী জানিয়েছেন,সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) জাতীয় ২টি পত্রিকায় অনলাইন রিপোট প্রকাশের পর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষনিক এক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। রিপোটের শিরেনানাম ছিল চাঁদপুরে স্টিমার চলাচল বন্ধ,ঈদে বাড়বে যাত্রী ভোগান্তি।

বিআইডব্লিটিএ চাঁদপুর নদী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন এবং চাঁদপুর হরিণা ফেরিঘাট ম্যানেজার ফয়সাল চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিআইডব্লিউটিসির এক বার্তায় জানানো হয়, ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল নৌ-রুটে ১৮ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে ১ মে সোমবার পর্যন্ত ঈদ স্পেশাল সার্ভিসে থাকছে অত্যাধুনিক বিলাসবহুল যাত্রীবাহী জাহাজ এমভি মধুমতি। এছাড়াও চাঁদপুর-শরিয়তপুর ফেরি নৌ-রুটে ঈদে স্পেশাল সার্ভিস হিসেবে ৫টি কে টাইপ ফেরি ও ১টি রো রো ফেরি চালু থাকছে।

Model Hospital

নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন চাঁদপুর-ঢাকা-বরিশাল রুটে ঈদে বিশেষ রকেট স্টিমার ও ফেরি সার্ভিস চালুর উদ্যোগ গ্রহন করে।
নৌ-পথে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে চাঁদপুরের সাথে দেশের বিভিন্নস্থানে দীর্ঘ প্রায় ৬মাস যাবত রকেট-স্টিমার চলাচল বন্ধ, সরকার প্রতিদিন বিরাট অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। আসন্ন ঈদে বাড়বে যাত্রী ভোগান্তি এ সংক্রান্ত রিপোট ২টি অনলাইন পত্রিকা রপ্রকাশ হয়। যার ফলে বিআইডব্লিউটিসির সিদ্ধান্ত মোতাবেক,

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল রুটে আবারো স্টিমার সার্ভিস চালু হচ্ছে। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বিশেষ স্টিমার ও ফেরি সার্ভিস দেবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। আর বিশেষ এই সার্ভিস চালু থাকবে ঈদের আগে ও পরে মোট ১৪ দিন। ঈদের দিন বিআইডব্লিউটিসি তাদের সব নিয়মিত সার্ভিস চালু রাখবে।

চাঁদপুর বাসীসহ এ রুটের দীর্ঘ বছর যাবত চলাচলকারী হাজার হাজার নৌ- যাত্রীদের দাবী যে ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল নৌ-রুটে ঈদের পরও যেন নিয়মিন বিআইডব্লিউটিসি তাদের সব নিয়মিত সার্ভিস চালু রাখেন। দেশের বৃহত্তম নদী বন্দর চাঁদপুর হলেও চাঁদপুরের সাথে দীর্ঘ প্রায় ৬মাস যাবত চলাচলে নিরাপদ হিসেবে খ্যাত রকেট স্টিমার সার্ভিস এ রুটে চলাচল বন্ধ থাকায় সরকার প্রতিদিন লক্ষ-লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে । বিগত বছরের জরিপে দেখা যায় চাঁদপুরের সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানের নৌ-পথের যাত্রী পাড়াপাড়ে নিরাপদ রুট হিসেবে সাধারন যাত্রীরা এ রুটে চলাচল করতে বেশী উৎসাহ পেত।

এতে করে সরকার এ রুট তথা চাঁদপুর সংশ্লিস্ট সকল স্থান থেকেই বিরাট অংকের রাজস্ব আয় পেত। বর্তমানে সে রাজস্ব থেকে সরকার বঞ্চিত হয়ে রয়েছে। এ রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপকালে তারা জানান, আসন্ন ঈদে রকেট-স্টিমার সার্ভিস চলাচল করলেও ঈদের পর যেন এ রুটের যাত্রীদের মারাত্বক ভোগান্তি লাগবে এ সার্ভিস চালু রাখা হয়।

উল্লেখ্য,সেই পাক আমল থেকে নিয়মিত চলাচল করা বিআইডব্লিউটিসি পরিচালিত চাঁদপুরে রকেট স্টিমার সার্ভিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিগত প্রায় ছয় মাস যাবত এ অবস্থায় বিড়াজোমান বলে জানালেন চাঁদপুরের সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ। স্বাভাবিকভাবে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন পিএস টার্ণ, লেপচা, মাসুদ, শেলা, রকেট স্টিমারগুলো ঢাকা-চাঁদপুর-খুলনাসহ বিভিন্নস্থানে চলাচল করতো। এ ভাবে হঠাৎ চলমান অবস্থা থেকে কোন প্রকার ঘোষনা ছাড়াই এ পথে চলমান রকেট স্টিমার সার্ভিস বন্ধ থাকায় শত শত যাত্রী ভোগান্তিতে পড়ে। চাঁদপুর থেকে বরিশাল, খুলনা, বাগেরহাট, ঢাকা রুটে ঝড়-তুফান, বজ্র বৃষ্টি বাদলের দিনে ও ঈদ উৎসবে নিরাপদে ও নিশ্চিন্তে যাতায়াত করতে পারছেন না শত শত যাত্রী সাধারণ। এতে করে ক্ষতি হচ্ছে সরকারের। সরকার প্রতিদিন তার রাজস্ব হারাচ্ছে,সরকারের কোষাগার পূর্ন হওয়ারস্থলে খালি হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,এ স্টিমার বা রকেট না থাকায় সপ্তাহান্তে বা কখনো ৩দিন সরকারি ছুটির দিনে লোকজন বাড়ি ও অফিসে যাতায়াত করতে পারছেন না। এঘাট দিয়ে চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলার লোকজন, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা ও ফেনী অঞ্চলের কর্মরত শত সহস্র লোক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকগণ নিয়মিত বরিশাল, খুলনা, বাগেরহাটে, ঢাকায়ও যাতায়াত করতেন। আবার খুলনা ও বরিশাল মেডিকেল, প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এঘাট দিয়ে যাতায়াত করতেন ।

চাঁদপুরের বিআইডব্লিউটিসির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন জানান, রকেট স্টিমার চাঁদপুরে চলাচল বন্ধ, সেটার সঠিক তথ্য আমি না’জানলেও বলতে পারি চাঁদপুরবাসী তথা এরুটের অসংখ্য যাত্রীর চাহিদার দিক বিবেচনায় নিয়ে পূর্বর ন্যায় রকেট-স্টিমার চলাচল অব্যাহত থাকুক।

রকেট ঘাটের সাথেই রয়েছে চাঁদপুর রেল স্টেশন। চাঁদপুর টু বরিশাল রকেট স্টিমার ভাড়া মাত্র ১২০ টাকা। আর লঞ্চ ভাড়া ৩৬০টাকা। যা ঈদে আবার দ্বিগুন হয়ে যায়। স্টিমার ঘাট ও রেল স্টেশনের ব্যবধান মাত্র দুই মিনিটের হাঁটাপথ।

ঘাটের চা দোকানী ইব্রাহীম মিয়া ও লিটন মোল্লা, তেলের ব্যবসায়ী মোস্তফা মিয়া, ওমর ফারুকসহ অনেকে জানান, রকেট স্টিমার প্রায় ছয় মাস যাবত চলে না, বন্ধ। তারা সবাই জানান, এ রুটের যাত্রীদের দিক বিবেচনায় নিয়ে পূর্বের ন্যায় রকেট-স্টিমার সার্ভিস চালু রাখা হউক।

অনেকেই বললেন, আমরা দূর থেকে রকেটের আগমনে ও প্রস্থানে ভেপু’র আওয়াজ রাত বিরাতে আর শুনছি না। কোথায় যে গেলো সেই দিনগুলো! অথচ কতো কতো ভিআইপি, মন্ত্রী, সচিব, উচ্চ পদস্থ লোকজন ও জনসাধারন নিরাপদে, আরামে ও অল্প খরচে স্টিমারে যাতায়াত করতো। স্টিমারের আভিজাত্য ও মানসম্পন্ন খাবারের ঘ্রানও মনে প্রাণে ও নাকে প্রশান্তি যোগাতো।

চাঁদপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাষ্টার সোয়াইব সিকদার ও কয়েকজন টিটিই জানান, চাঁদপুরে রকেট সার্র্ভিস চালু করলে দক্ষিনাঞ্চলীয় জেলার যাত্রীদের ভ্রমন আরামদায়ক ও নিরাপদ হবে। পরিবার পরিজনদের জন্যও খুবই সুবিধা হতো। চাঁদপুর থেকে বরিশালের ভাড়াও কম মাত্র ১২০ টাকা। ওদিকে চাঁদপুর টু বরিশালের লঞ্চ ভাড়া ৩৫০-৪০০টাকা। ঈদে আরো বেশী নেয়। তাছাড়া রেল স্টেশন থেকে স্টিমারঘাট মাত্র দুই মিনিট হাঁটার পথ।

চাঁদপুর বিআইডাব্লিউটিসি (বানিজ্য) ম্যানেজার ফয়সাল চৌধুরী জানান, দক্ষিনাঞ্চলের যাত্রীদের সুবিধার্থে চাঁদপুর রুটে ঈদ উপলক্ষে ম্পেশাল সার্ভিস রকেট স্টিমার চালু করা হলেও এ রুটে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আলোচনা করে পূর্বের ন্যায় রকেট স্টিমার চালু করার ব্যবস্থা করা হউক। এ রুটে এখনও প্রচুর যাত্রী রয়েছে, এতে সরকারের রাজস্ব আয় পূর্বের চাইতে কমার সম্বাবনা নেই।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’