শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ভোর হলেই সৌদি আরবে ঈদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩, ৫:১০ পিএম
ভোর হলেই সৌদি আরবে ঈদ

সৌদি আরবের আকাশে বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে, দেশটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামীকাল শুক্রবার (২১ এপ্রিল)। দিনভর নানা জল্পনা-কল্পনার পরে সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদির চাঁদ দেখা কমিটি। খবর আরব নিউজের।

সৌদির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটিতে ঈদুল ফিতরের ছুটি ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। ছুটি থাকবে চারদিন। আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে নিয়মিত কাজের সময়সূচি শুরু হবে।

তবে বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী শনিবার ঈদ উযাপনের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের অন্তত আটটি দেশ। এদের মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, থাইল্যান্ড, জাপান ও ফিলিপাইন।

শনিবার ঈদ উদযাপনের বিষয়ে মালয়েশিয়ার ‘কিপার অব দ্য রুলারস সিল’ সৈয়দ দানিয়াল সৈয়দ আহমদ বলেছেন, ইয়াং ডিপারতুয়ান আগাং (প্যারামাউন্ট রুলার প্রধান) আল-সুলতান আবদুল্লাহ রিয়াতউদ্দিন আল-মুস্তফা বিল্লাহ শাহ মালয়েশীয় শাসকদের সঙ্গে আলোচনার পরে ঈদের তারিখ ঘোষণায় সম্মতি দিয়েছেন।

Model Hospital

মালয়েশিয়ার মতো চাঁদ দেখা যায়নি প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়াতেও। তারাও ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে আগামী শনিবার। ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কমপাস।

এশিয়ার আরেক দেশ ব্রুনেইও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শনিবার ঈদুল ফিতর উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে। দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বৃহস্পতিবার খালি চোখে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, এমন কথা জানিয়েছিলেন ১৩টি আরব দেশের ২৫ জন জ্যোতির্বিদ্যা বিশেষজ্ঞ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র (আইএসি) এক বিবৃতিতে জানায়, এই বিবৃতি ঈদুল ফিতরের সঠিক তারিখ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নয়। কারণ এটি আইনগত ও বৈজ্ঞানিক বিবেচনাসহ বিভিন্ন কারণে দিয়ে প্রভাবিত। এ বিবৃতিটির উদ্দেশ্য হলো, চাঁদ দেখার বিষয়ে কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদান করা।

বিবৃতিতে বলা হয়, সূর্যাস্তের পর ক্ষণিকের জন্য আকাশে অর্ধচন্দ্রের উপস্থিতি এর দৃশ্যমানতার জন্য নির্ভরযোগ্য সূচক নয়। অর্থাৎ, সূর্যাস্তের পর সামান্য সময়ের জন্য আকাশে চাঁদ উঠলেও তা দেখা যাবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

আইএসি বলেছিল, পুরোনো এবং নতুন সব মানদণ্ড বলছে, আরব বিশ্ব থেকে বৃহস্পতিবার খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব নয়। এই প্রত্যাশা কোনো ব্যক্তি বা দলের মতামত নয়, বরং এটি বিশেষজ্ঞদের ঐকমত্য। সব বৈজ্ঞানিক মানদণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে করতে চাই, বৃহস্পতিবার আরব বা ইসলামিক বিশ্বে খালি চোখে অর্ধচন্দ্র দেখা সম্ভব নয়, এমনকি টেলিস্কোপ ব্যবহার করেও সম্ভব নয়।

আমিরাতভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, যেসব দেশে খালি চোখেই চাঁদ দেখা যায় বা এশিয়ার দেশগুলো, যারা টেলিস্কোপ দিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে; ধারণা করা হচ্ছে, সেসব জায়গায় রমজান মাস ৩০ দিন হবে এবং ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে শনিবার (২২ এপ্রিল)।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital