সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

বিদ্যালয়হীন গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপন করছেন আব্বাস উদ্দিন

‘সুন্দর ফরিদগঞ্জ বির্নিমানে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে’

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩, ৬:৫৮ পিএম
‘সুন্দর ফরিদগঞ্জ বির্নিমানে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে’

‘সেঅঞ্চলই সুন্দর যে অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত। আমাদের শিক্ষা খাতে সময়-শ্রম বিনিয়োগ করতে হবে। এ জন্যে যারা শিক্ষানুরাগী তাদের এগিয়ে আসতে হবে। সুন্দর ফরিদগঞ্জ বির্নিমানে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে। এসব কাজে তরুণদেরকেও সম্পৃক্ত করতে হবে। তানাহলে পরবর্তিতে সৃষ্টিশীল, সৃজনশীল মানুষ তৈরী হবেনা। আমি মনেকরি যে সব প্রতিষ্ঠানে আমি ব্যয় করছি সেগুলো আমার টাকা নয়; এ সম্পদ মূলত আল্লাহর। তিনি আমাকে দিয়ে বন্টন কাজ করাচ্ছেন।’উত্তর সাহেবগঞ্জ বায়তুল আমান জামে মসজিদে জুমার নামাজ পরবর্তী এক আলোচনা সভায় কথা গুলো বলেন ঢাকা টেক্সেস বারের সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন।

ফরিদগঞ্জকে আলোকিত করতে এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন বহু বছর ধরে নিরবে নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের আলোচিত কর আইনজীবী ঢাকায় বসবাস করলেও নাড়ীর টানে বারবার ফিরে আসেন গ্রামের বাড়ি ফরিদগঞ্জে। অসহায় মানুষদের মুখে হাসি ফুটাতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। কাজ করছেন শিক্ষাখাত নিয়ে। যে অঞ্চলে বিদ্যালয় নেই সে অঞ্চলকে টার্গেট করে তিনি সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দিচ্ছেন। এবার তিনি নিজ গ্রাম ১৬নং রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের চরমঘুয়া গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। চরমঘুয়া গ্রামে কোনো বিদ্যালয় নেই। কাগজে কলমে চরমঘুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে যে বিদ্যালয়টি রয়েছে সেটা মূলত ১৫নং রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম গাব্দেরগাঁও গ্রামে অবস্থিত। কী কারণে বিদ্যালয়ের নাম চরমঘুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হলো তার সঠিক উত্তর জানা যায়নি।

১৬নং রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইস্কান্দার আলীর ছেলে মো. রুহুল আমিন রুবেলের হাতে ৩৩ শতাংশ ভূমির দলিল হস্তান্তর করেন এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন। গত ১২ মে শুক্রবার নির্ধারিত ভূমি পরিদর্শন করেন এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন। সেখানেই প্রস্তাবিত আব্বাস উদ্দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে দলিল হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক রোটারিয়ান আলহাজ¦ রফিকুর রহমান, ১১নং চরদুঃখিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বাছির আহমেদ, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ প্রমুখ।

Model Hospital

এর আগে তিনি ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বড়ালীতে ফুলমতির নেছা ফোরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার নির্মানাধীন দ্বিতল ভবন পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি সর্বশেষ কাজের খোঁজ খবর নেন। খুব সহসায় এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হবে। এই প্রতিষ্ঠানে বয়স্কদের জন্য পড়ার ব্যবস্থা থাকবে। উল্লেখ উক্ত ওয়ার্ড এবং গ্রামের এটাই যে কোন ধরনের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

দুপুরে এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন উত্তর সাহেবগঞ্জ বায়তুল আমান জামে মসজিদ এর বহুতল ভবনের পুনঃনির্মাণ কাজের তদারকি করেন। আধুনিক স্থাপনায় নির্মানাধীন এই মসজিদটি আব্বাস উদ্দিনের অর্থায়ানে পুনঃনির্মান হচ্ছে। এছাড়াও তিনি ফরিদগঞ্জকে আলোকিত করতে আরো বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সে সব কাজ তিনি করবেন এবং তা দৃশ্যমান হবে।

চাঁদপুরে আরএস টাওয়ারের পাশের ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন সরানোর দাবি এলাকাবাসীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৩ পিএম
চাঁদপুরে আরএস টাওয়ারের পাশের ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন সরানোর দাবি এলাকাবাসীর
চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোডে অবস্থিত আরএস টাওয়ারের পাশ দিয়ে টানা ৩৩ হাজার ও ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের অভিযোগ, ভবনের পাশ ঘেঁষে থাকা বিদ্যুতের ঝুঁকিপূর্ণ লাইন থেকে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এরই মধ্যে গত ৩ অক্টোবর ভবনটিতে বেড়াতে আসা দুই শিশু বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
এ ঘটনায় চাঁদপুর পৌরসভা ভবনটির সামনের অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। তবে ওই অংশটুকু বৈধ দাবি করে পৌরসভার সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন ভবনটির মালিক রাসেল হোসেন।
ভবন মালিক রাসেল হোসেন জানান, তিনি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে ২০০৬ সালে চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোড এলাকায় ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এর মধ্যে ৫ দশমিক ১০ শতাংশ জমিতে ভবন নির্মাণের জন্য ২০০৯ সালে পৌরসভা থেকে নকশা অনুমোদন নেন। বাকি জমি ভবনের চারপাশে রয়েছে। ২০২৩ সালে সড়ক সম্প্রসারণের সময় তৎকালীন পৌর মেয়রের অনুরোধে ড্রেনেজ নির্মাণের জন্য ভবনের সামনের তিনটি সিঁড়ি ছেড়ে দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ভবনটির পাশ দিয়ে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকির বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন তিনি। এ সমস্যা সমাধানে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চাঁদপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেন। পরবর্তী সময়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর পরামর্শ ও সুপারিশ নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের কুমিল্লা বিভাগীয় দপ্তরেও আবেদন করেন তিনি। এসব আবেদনে ভবনের পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর আবারও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চাঁদপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেছেন। এতে ঝুঁকিপূর্ণ সঞ্চালন লাইনটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ভবনটির পাশ দিয়ে যাওয়া উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। তাঁদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ লাইনটি যথাযথভাবে স্থানান্তর করা না হলে ভবিষ্যতে আরও দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকে যাবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগ ও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, যাতে বিদ্যুৎ লাইনের ঝুঁকি থেকে ভবনটির বাসিন্দা ও আশপাশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।