বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

৬নং কচুয়া উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড

কচুয়ায় উপ-নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে ইউনুছ বিজয়ী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ জুলাই, ২০২৩, ৯:০০ পিএম
কচুয়ায় উপ-নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে ইউনুছ বিজয়ী

কচুয়া উপজেলার ৬নং কচুয়া উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে উপ-নির্বাচনে ইউনুছ (মোরগ প্রতীকে) বিজয়ী হয়েছে। ১৭ জুলাই সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তেতৈয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাধারণ সদস্য পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে ৬জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে। ৪নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ২হাজার ৬শত ৬৫জন। তন্মধ্যে ১হাজার ৬শত ৪৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার গ্রয়োগ করেন। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কেএম সোহেল রানা জানান, নির্বাচনে ইউনুছ (মোরগ) প্রতীকে ৬শত২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হানিফ মজুমদার (তালা) প্রতীকে পেয়েছে ৫শত৮৯ ভোট। তাছাড়া আবুল হোসেন খান (টিউবওয়েল) প্রতীকে ২শত ৭৭, মো. জামাল হোসেন (ফুটবল) প্রতীকে ১শত১১, মো. শফিকুল ইসলাম (বৈদ্যুতিক পাখা) প্রতীকে ৯, ফজলুর রহমান (ঘুড়ি) প্রতীকে ৫ ভোট পায়। বাতিল ভোট সংখ্যা-২৫।

অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন গ্রহণের লক্ষ্যে সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হাসান।

নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী আবু বকর সিদ্দিক ও প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কেএম সোহেল রানা। আইন শৃংখলার দায়িত্ব পালন করেন, কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইব্রাহীম খলিল ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে কচুয়া থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ।

Model Hospital

ফলাফল ঘোষণার পর এক প্রতিক্রিয়ায় বিজয়ী প্রার্থী ইউনুছ বলেন, অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের ফলে আজ আমি বিজয়ী হয়েছি। এই বিজয় আমার একার নয়, এ বিজয় ৪নং ওয়ার্ডের সকল জনগনের। আমি এই ওয়ার্ডের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে আপনাদের সকলের সহযোগীতা কামনা করছি। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ায় আমি উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন ও সাংবাদিকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি ইউপি চেয়ারম্যান এম. আখতার হোসাইনের নেতৃত্বে আমার ৪নং ওয়ার্ডকে আধুনিক ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করতে চাই। আমি চাই এই ওয়ার্ডে কোন অন্যায়, অনিয়ম ও মাদক এর কোন ছোবল না থাকুক।

উল্লেখ্য গত ২০ মার্চ কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ইউপি সদস্য জসীম উদ্দীন মজুমদার। তার মৃত্যুর পর আসনটি শূণ্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

হাজীগঞ্জে অবৈধ মাটিকাটার বিরুদ্ধে অভিযান, বিকল ৩ ড্রেজার, ধ্বংস ১৫০ পাইপ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
হাজীগঞ্জে অবৈধ মাটিকাটার বিরুদ্ধে অভিযান, বিকল ৩ ড্রেজার, ধ্বংস ১৫০ পাইপ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে কৃষিজমির উর্বর মাটি অবৈধভাবে কেটে বিভিন্ন জলাশয় ভরাটের কাজে ব্যবহারের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার দুটি ইউনিয়নে দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ১৫০টি ড্রেজার পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল করে দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের যৌথ সহযোগিতায় অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকন।

অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলার ২ নম্বর বাকিলা ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রাম এবং দ্বাদশগ্রাম ইউনিয়নের চারিয়ানি গ্রামের তালুকদার বাড়ি ব্রিজের কাছে নাসিরকোট মৌজার বেতাগি বিলে অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম রাখা হয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

Model Hospital

অভিযান পরিচালনার সময় সংশ্লিষ্ট কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দিনের বেলায় কৃষিজমির আশপাশে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ স্থাপন করে রাখা হয়। পরে রাতের বেলায় এসব যন্ত্র চালু করে পাইপের সাহায্যে জমির উপরিভাগের মাটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। এসব মাটি দিয়ে পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান।

কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি অপসারণের কারণে আশপাশের জমিতে ভাঙন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি জমির স্বাভাবিক গঠন ও উর্বরতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে কৃষিজমির দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ অবস্থায় অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো অকেজো করার উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। অভিযানের অংশ হিসেবে দুটি পৃথক স্থানে থাকা প্রায় ১৫০টি ড্রেজার পাইপ সম্পূর্ণ বিনষ্ট করা হয়। পাশাপাশি তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল করে দেওয়া হয়, যাতে সেগুলো ব্যবহার করে পুনরায় মাটি কাটা ও পরিবহন করা না যায়।

ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে দণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে কৃষিজমির উর্বরতা রক্ষা এবং অবৈধভাবে টপসয়েল কাটা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।