সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

শহীদ জাবেদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন 

মো: মুছা তপদার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩, ৮:৫২ পিএম
শহীদ জাবেদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন 
বাংলাদেশ স্কাউটস এর  রোভার  ও স্কাউটের দেশব্যাপী ৫০ লাখ বৃক্ষরোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ স্কাউটস চাঁদপুর জেলার শহীদ জাবেদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপে   বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় শহীদ জাবেদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের স্থায়ী জায়গায় এবং আশপাশে এলাকায়  বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
শুক্রবার  (৪ ইং আগষ্ট ) বিকালে শহরের নতুন বাজার হোটেল সফিনা বোডিং ,শহীদ জাবেদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের স্থায়ী কার্যলয়ে ফলজ বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন শহীদ জাবেদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপে সম্পাদক মো: আখতারুজ্জামান খোকা।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন যুগ্ন সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ মারনুছ মাহমুদ (তন্ময়), ইউনিট লিডার মো: সাইফুল ইসলাম সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহান তাওসীফ, দপ্তর সম্পাদক রোভার জাবির হোসেন রাফি, প্রচার সম্পাদক রোভার মো: মুছা তপদার,  রোভার মো: ফাইয়াজ আহমেদ তাওসিফ, রোভার শামিম মাঝি সহ স্কাউট রোভার স্কাউট বিভিন্ন সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গ্রুপ সম্পাদক মো: আখতারুজ্জামান খোকা বলেন, স্কাউট সদস্যরা সেবার ব্রত হয়ে সৃজনশীলতার সাথে বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। এর ধারাবাহিকতায়  বিভিন্ন  ফাকা জায়গায় মৌসুমি ফলজ ও ওষুধি বৃক্ষরোপন করা হবে।
গ্রুপের যুগ্ন সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ মারনুছ মাহমুদ (তন্ময়) বলেন, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবেলায় ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। প্রচন্ড তাপদাহ থেকে মুক্তির জন্যে পরিবেশে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। রোভার স্কাউটের এমন সেবামূলক কার্যক্রম প্রশংসার দাবি রাখে।

ফরিদগঞ্জে জনবল সংকটে তথ্য আপা সেবা, ভোগান্তিতে গ্রামীণ নারীরা

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫০ পিএম
ফরিদগঞ্জে জনবল সংকটে তথ্য আপা সেবা, ভোগান্তিতে গ্রামীণ নারীরা
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে তীব্র জনবল সংকট এবং অনুপযুক্ত কার্যালয়ের কারণে নারী ক্ষমতায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক বিশেষ উদ্যোগ ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার গ্রামীণ নারীদের ডিজিটাল সেবা ও আইনি সহায়তা দেওয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রটি বর্তমানে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে।
প্রকল্প অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ে তথ্য আপা প্রকল্পের মোট চারটি পদ থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র দুজন। পদগুলোর মধ্যে তথ্যসেবা কর্মকর্তা ও একজন তথ্যসেবা সহকারীর পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। বর্তমানে তথ্যসেবা সহকারী ইসরাত জাহানকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তথ্যসেবা কর্মকর্তার কাজ সামলাতে হচ্ছে এবং অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন কেবল মো. জাকির হোসেন। সীমিত এই জনবল দিয়ে পুরো উপজেলার নারীদের সেবা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের।
এদিকে কার্যালয়ের অবস্থান নিয়েও সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে। উপজেলা সদরের জনবহুল ও সহজে যাতায়াতযোগ্য স্থান ছেড়ে কিছুটা দূরে একটি নির্মাণাধীন ভবনের পেছনের অংশে দ্বিতীয় তলায় এই কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। ফলে প্রথমবারের মতো সেবা নিতে আসা গ্রামীণ নারীরা সঠিক ঠিকানার খোঁজে চরম ভোগান্তির শিকার হন।
অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা তথ্যসেবা কর্মকর্তা ইসরাত জাহান জানান, পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া কার্যালয়টি উপজেলা চত্বরে বা জনবহুল স্থানে হলে সেবাগ্রহীতাদের যাতায়াত সহজ হতো।”ষ
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলায় সরকারি কার্যালয়ের স্থান সংকুলান না থাকায় আপাতত ভাড়া ভবনে কার্যক্রম চলছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।