শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় কৃষকদের বিশ্রামাগার করে প্রশংসায় ভাসছেন ইউপি চেয়ারম্যান আখতার হোসাইন

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩, ৯:৪৩ পিএম
কচুয়ায় কৃষকদের বিশ্রামাগার করে প্রশংসায় ভাসছেন ইউপি চেয়ারম্যান আখতার হোসাইন

কৃষক-শ্রমিকদের বিশ্রামের কথা চিন্তা করে কচুয়া উপজেলার উত্তর কচুয়া ইউনিয়নের জলাতেতৈয়া,দোয়াটি,ঘাগড়া,রাজাপুরের কৃষক ও দিনমজুরদের জন্য বিশ্রামাগার নির্মাণ ও সুপেয় পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন করে সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম আখতার হোসাইন। এ বিশ্রামাগার থেকে জলাতেতৈয়া ও আশেপাশে গ্রামের প্রায় ২ হাজার কৃষক ও দিনমজুর পরিবার সুবিধা পাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান,কৃষকরা মাঠের মাঝখানে কৃষি কাজ করে প্রচন্ড রোদে চরম দুর্ভোগ্য পড়তে হয়। এই বিলের মাঝখানে নেই কোন বাড়িঘর, প্রতিনিয়ত দেখা যায় প্রচন্ড রোদে ও গরমে পানির তৃষ্ণনায় কৃষকরা বিপাকে পড়ে থাকে । কৃষক বাঁচলে’ বাজবে দেশ, এই প্রতিপাদ্য কে মূল্যায়ন করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে গড়ে তুলেন বিশ্রামগার ও সুপেয় পানির নলকূপ। বর্তমানে কৃষকরা স্বাস্থ্য সংরক্ষণ করা জন্য বিশ্রামাগার খাবার খেতে পারেন, পাশাপাশি গভীর নলকূপ স্থাপন করে পানির তৃষ্ণা মেটাতে পারে।

ইউপি চেয়ারম্যান এম আখতার হোসাইন জানান,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে কৃষি খাতে ভর্তুকি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রণোদনা, কৃষিঋণ, বিনামূল্যে এবং ভর্তুকি মূল্যে উচ্চ ফলন শীল বীজ সরবরাহ ও সারসহ কৃষি উপকরণে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান ইত্যাদির প্রচলন থাকলেও কৃষক যখন মাঠে কাজ করবেন তখন তার স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা তথা মানসিক প্রশান্তির জন্য কোনো অবকাঠামোগত সুবিধা নেই। ফলে কৃষককে মাঠে-ঘাটের নোংরা কাদামাটির ওপর বসেই খাবার খেতে হয়। কাছাকাছি কোনো নিরাপদ পানির উৎস না থাকায় মাঠ বা ডোবার পানি খেতে হয়। । ফলে কৃষক শ্রমিকদের স্বাস্থ্যহানিসহ কর্মক্ষমতা কমে যায়। সাধারণ কৃষক শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে জলাতেতৈয়া ও আশেপাশে গ্রামের ফসলি মাঠের মাঝখানে বিশ্রামাগার নির্মাণ করা ও পাশাপাশি পানির তৃষ্ণা মেটাতে নিরাপদ পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্রামাগারে এখন প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রামের কৃষক ও দিন মজুররা কাজের ফাঁকে তাদের খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন ও বিশ্রাম নিতে পারেন।

বিশ্রামাগারের উপকারভোগী তেতৈয়া গ্রামের কয়েকজন কৃষক জানান,শতশত একর জমি এ মাঠে রয়েছে। এ জমিতে আগে আমরা যখন কাজ করতে যেতাম তখন রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে কাজ করতে হতো। অনেক কৃষক শ্রমিকদের দেখতাম জমির আইলে বসে অনেকটা কাদামাখা হাতে রোদের ভেতরে খাবার খেতে। খাবার জন্য যে সামান্য পানিটুকু নিতেন তা থেকে অল্প একটু পানি দিয়েই তাদের হাত ধোয়ার কাজ সারতে হতো. কিন্তু এখন তারা বিশ্রামাগারে এসে নলকূপের পানি ব্যবহার করতে পারছেন। সুন্দরভাবে হাতমুখ পরিষ্কার করে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেতে এবং বিশ্রাম নিতে পারেন। আমাদের ইউপি চেয়ারম্যান এম আখতার হোসাইনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই, এই মহৎ উদ্যোগ নেয়ার জন্য।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital