শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

‘চাঁদপুর জেলায় ৩ মাসে ৩২৪ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার’

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৮:১৪ পিএম
‘চাঁদপুর জেলায় ৩ মাসে ৩২৪ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার’

প্রবাদে আছে চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী ” তাই সত্যি হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দিদারুল আলমের বেলাতেও।

তিনি আগে অর্থাৎ ২০২০ সালে চাঁদপুরে একই পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় চান্দ্রার মাদক নিয়ে তাকে জরিয়ে যে প্রপাগান্ডা করা হয়েছে সেটি ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তাদের যোগসাজস ছিল। তার অপবাদ চাপানো হয় সহকারী পরিচালক দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে।

২০২৩ সালের জুন মাসে তাকে উদ্ধতন কতৃপক্ষ পুনরায় চাঁদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করেন। জুন, জুলাই, আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসে তিনি ব্যাপক অভিযান করেছেন তার সহকর্মীদের নিয়ে। এ তিন মাসে ৩২৪ টি অভিযান পরিচালনা করে ৩১টি মামলা দায়ের করেছেন।

এ মামলায় ৩৬ জনকে আটক করে নিয়মিত মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। ৩ মাসে উদ্ধার করেছেন গাঁজা ১৪৮ কেজি, ইয়াবা ৬ হাজার ৭ শ ৮১ পিচ, ফেন্সিডিল ৩ বোতল, মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ২ টি প্রাইভেট কার, ১ টি মাইক্রোবাস জব্দ করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে যে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল সেখান থেকে এক হাজার ইয়াবা অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা লুকোচুরি করার চেষ্টা করেছিল।

Model Hospital

এ বিষয়টি জানতে পেরে সহকারি পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলম তার সহকর্মীদের জিজ্ঞাসা করার প্রেক্ষিতে তারা প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে। তাছাড়া গত কয়েকদিন পূর্বে চাঁদপুর শহরে বড় স্টেশন ক্লাব রোড এলাকায় ইয়াবার একটি বড় চালান এসে পৌঁছানোর কথা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে আসলে অভিযানের বিষয়ে পরিচালক তার দপ্তরের কর্মকর্তাদের ব্রিফিং দেন। এ ব্রিফিং এর মাধ্যমে কারবারীদের কাছে মুহূর্তের মধ্যে পৌঁছে যায়। মাদক কারবারীরা ওই মাদকের চালানটি নিয়ে চাঁদপুরে ভিন্ন রোডে প্রবেশ করে বলে সহকারি পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলম জানান। অভিযানটি শেষ পর্যন্ত পন্ড হয়ে যায়। যে রূপরেখা করা হয়েছিল অভিযান পরিচালনার জন্য সেই রূপরেখা চলে যায় মাদককারীদের কাছে।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে এ কে এম দিদারুল আলমের দিক নির্দেশনায় অভিযানে যান, সেন্টু রঞ্জন নাথ (পরিদর্শক), মোহাম্মদ পিয়ার হোসেন (এস আই) দুপিয়ার হোসেন মোহাম্মদ, সাইফুল ইসলাম, (এ এস আই) , মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, (সিপাই ) হাবিবুল্লাহ,সাজ্জাদ হোসেন (সিপাই) সাজ্জাদ হোসেন, শরীফুল ইসলাম (সিপাই) মোঃ শরীফুল ইসলাম, সাখাওয়াত হোসেন (ওয়্যারলেস অপারেটর), সাখাওয়াত হোসেন, ওমর ফারুক রাজন (গাড়ী চালক)।

অভিযানের নামে তারা তাদের সোর্স উত্তর শ্রীরামদীর জামতলা এলাকায় রিপন ঢালী (৩২)কে আটক করে। এতদিন এই রিপন ঢালীকে দিয়েই সেন্টু রঞ্জন নাথ গংরা মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করতো। আজ তাকে আটকের নাটক সাজিয়ে সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে চিঠি চালাচালি করছে বলে সহকারি পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলম জানান।

তিনি আরো জানান, এরা একেক জন চাঁদপুরে ৫/৭ বছর ধরে কর্মরত থাকায় মাদক কারবারিদের সাথে বেশ সক্ষতা গড়ে উঠেছে। যার জন্য অভিযানের নামে তারা নানা অপকর্ম করছে বলে আমি শুধু প্রতিবাদ করেছি।

অভিযোগের বিষয়ে চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক একেএম দিদারুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা অভিযোগ করেছে তারা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে করেছে।

তারা নিজেরাই মাদকের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পর্ক করায় মাদক নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না, তাই তাদেরকে সতর্ক করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে এটি করেছে। যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তারা সেদিন থেকে অফিসে আসে না, এমন কি অভিযান ও পরিচালনা করছে বলে আরেকটি সূত্র থেকে জানা যায়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital