বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অতীতেও আপনাদের পাশে ছিলাম ভবিষ্যতেও থাকবো : ইঞ্জি: শফিকুর রহমান সিআইপি 

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১১:৫০ পিএম
অতীতেও আপনাদের পাশে ছিলাম ভবিষ্যতেও থাকবো : ইঞ্জি: শফিকুর রহমান সিআইপি 
শাহরাস্তিতে উপজেলার প্রয়াত  আওয়ামী লীগ নেতাদের কবর জিয়ারত এবং শোরসাক বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তা  দিয়ে পাশে দাড়ালেন ইঞ্জি: শফিকুর রহমান সিআইপি।
বৃহস্পতিবার সকালে সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ষিয়ান নেতা ও মেহের উত্তর ইউপির বারবার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক ও  সদ্যপ্রয়াত উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক  পৌর কাউন্সিল মকবুল আহমেদের কবর জিয়ারত করেন তিনি।
তিনি মরহুমদের কবর জিয়ারত শেষে বিদেহি আত্মার মাগফেরাত কামনা করে  বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন। একই দিন দুপুরে  সূচিপাড়া উত্তর ইউপির শোরসাক বাজারে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের অগ্নিকাণ্ডে   ভস্মীভূত হওয়া ৬টি দোকান মালিকদের সম্মানে এক আলোচনা সভা যোগদান করেন তিনি।
এ সময় শোরসাক উত্তর বাজারে  ইউপি আওয়ামী লীগের আয়োজিত আলোচনা সভায় সুচীপাড়া  উত্তর ইউপির  ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেনের সঞ্চালনায়  শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের সাবেক   চেয়াম্যান আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.কামরুজ্জামান মিন্টুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক  উপ-কমিটির সদস্য, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, হ্যামস গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী , বিশিষ্ট শিল্পপতি ও দানবীর, ইঞ্জি: সফিকুর রহমান সিআইপি।
তিনি বক্তব্য বলেন, যে সকল নেতা  প্রয়াত হয়েছেন আজ তাদের দুনিয়াবী  অর্থবিত্তের কিছুই প্রয়োজন নেই। শুধু দোয়া দান সদকায় কাজে আসবে। আমরা  ওই সকল নেতা কর্মীদের  জীবন দশায়  পাশে ছিলাম বর্তমানে প্রয়াত হওয়ার পরেও প্রতিবছর কবর জিয়ারতও দোয়া করে   পরিবারের গুলোর খোঁজখবর নিয়ে থাকি। ভবিষ্যতে তা অব্যাহত  থাকবে। যেটি বর্তমানে  নানাবিধ রাজনৈতিক সমীকরণের জীবিত ও প্রয়াত নেতাদের ভাগ্যে জুটছে না।ওই সময় তিনি  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড.  মফিজুর রহমান, চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মজুমদার, আব্দুল খালেক চেয়ারম্যানসহ সকল প্রয়াত নেতাদের স্মরণে  স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য প্রধান করেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে  দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রের কথা ইঙ্গিত করে তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন আমি দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের সুখে দুখের সাথী হিসেবে হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি বাসীর কল্যাণে ছুটে গিয়েছি। আসন্ন নির্বাচনে  দল মনোনয়ন দিলে জাতীয় সংসদে গিয়ে আপনাদের কষ্ট লাঘবে আরো সচেষ্ট থাকবো। অতীতে যখন আমি মনোনয়ন পাইনি তখনো নৌকা প্রতীকের পক্ষে মাঠে কাজ করে বিজয় অর্জনে সহযোগিতা করেছি।
এছাড়া তিনি অগ্নিকাণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত ৬ জন দোকান মালিক কে নগদআর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। পরবর্তীতে সভাপতির বক্তব্যে  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা  আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টু বলেন, বর্তমানে হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি  নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের ক্ষতিগ্রস্ত নেতৃবৃন্দের পাশে কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যেমন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এই ব্যবসায়ী ভাইদের পাশে আমি দ্বিতীয়বার  এসেছি।অথচ যারা বিভিন্ন কায়দায় অর্থ বৃত্তের পাহাড় করেছেন তারা কেউ দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবার দৃষ্টতা দেখাচ্ছেন না। এটি দুঃখজনক।
তিনি আরো বলেন বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে আসন্ন আন্দোলন সংগ্রামে আপনারা মাঠে থাকবেন শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামী লীগ আপনাদের সঙ্গে থাকবে।তখন অনেক বিতর্কিত নেতাদেরকে মাঠে খুঁজে পাওয়া যাবে না। পরিশেষে তিনি প্রধানমন্ত্রী বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রশংসা করে আবারো নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার তাকে অধিষ্ঠিত  করার আহ্বান জানান।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি  মো. কামরুজ্জামান  মিন্টু,হাজীগঞ্জ পৌর  উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয়  তাঁতীলীগ নেতা করিম মজুমদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল, চৌধুরী মোস্তফা কামাল,  বিল্লাল হোসেন তুষার,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সফিউল আজম স্বপন,সহ- সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন সাধু,
উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা নেছার আহমেদ পাটওয়ারী, হাসান চৌধুরী,ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আলম পাটোয়ারী, টামটা দক্ষিন ইউপির চেয়ারম্যান জহিরুল আলম  মানিক, টামটা উওর ইউপির আলীগের চেয়ারম্যান  প্রার্থী আলমগীর কবির পলাশ,উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক জাকির হোসেন অন্তর, ছাত্রলীগ সাবেক যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রকি, জেলা ছাত্রলীগের সহ- সভাপতি ইস্কান্দার মির্জা সুমন, আওয়ামী লীগ নেতা  মহসিন পাটওয়ারী, হিরু, এফ কাদের বাবু, মিজানুর পাটওয়ারী বিএসসি, কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেদোয়ান  হোসেন,সাবেক পৌর ছাত্রলীগ নেতা আলমগীর হায়দার, ছাত্রলীগ নেতা সোহরাব হোসেন সৌরভ প্রমুখ।
উল্লেখ্য,গত ১২সেপ্টেম্বর  মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩ টায় ওই বাজারের  বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের  সঞ্জয় শীলের মেডিসিনের দোকান মুনফার্মা, সিরাজুল ইসলামের পপুলার মেডিসিন কর্নার, শাহ মিরানের  মুদি দোকান, শাহ আলমের আলম স্টোর  মুদি দোকান, ইমাম ভান্ডারীর চায়ের দোকান এবং নুরুল ইসলামের  দোকান পুড়ে ২৫ লক্ষ টাকার অবকাঠামো মালামাল  ক্ষতি সাধন হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital