শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জের; সালিশি বৈঠকে হামলা, আহত- ৪

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৩, ১১:২৫ পিএম
ফরিদগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জের; সালিশি বৈঠকে হামলা, আহত- ৪
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরদুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সালিশি বৈঠক চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় বাদশা মিয়া (৭৫), আলী আশ্বাদ প্রকাশ আশ্রাফ (৭০), পেয়ারা বেগম (৬৫) ও সুজন (৪০) আহত হয়েছে।
গত বুধবার (২৭ সেপ্টম্বর) সকাল ১০টার দিকে বাড়ির সামনে সালিশ চলাকালে সালিশের উপস্থিতি এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
থানায় দায়েরকৃত এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরদুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের জমাদার বাড়ির বাদশা মিয়া ও আলী আশ্বাদ প্রকাশ আশ্রাফ গংদের সাথে দীর্ঘদিন থেকে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। সম্প্রতি এই বিষয়টি নিয়ে সালিশ বৈঠক ডাকেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ইমাম হোসেন বাবুল ও সাবেক ইউপি সদস্য মিলন তপদার এবং এলাকার গণ্যমান্যরা। যথা সালিশি বৈঠক শুরু হয়। এক পর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে প্রতিপক্ষ একই বাড়ির খোরশেদ আলম (৬০), ওয়াসিম জমাদার (৩২), আনোয়ার জমাদার (২৫), রাশেদ জমাদার (২৮)সহ কয়েকজন মিলে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহকারে বাদশা মিয়া গংদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় বাদশা মিয়া গংদের কাছে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা আহতের উদ্ধার করে দ্রুত চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
স্থানীয়রা জানায়, জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সালিশি বৈঠক খোরশেদ আলম গংরা বাদশা মিয়া গংদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়, এতে তারা আহত হাসপাতালে ভর্তি হয়।
তারা আরও জানান, ওয়াসিম জমাদার, আনোয়ার জমাদার, রাশেদ জমাদার কারনে অকারনে মানুষকে মারধর এবং মাদকসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত রয়েছে।
এ ব্যাপারে খোরশেদ আলম গংদের বক্তব্য জানার জন্য তাদের বাড়িতে গেলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে বাদশা মিয়া ও আলী আশ্বাদ প্রকাশ আশ্রাফ জানান, খোরশেদ আলম গংদের সাথে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও তারা মানে নাই। পরে তারা বিভিন্ন ভাবে অন্যায় অত্যাচার করে আসছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বর্তমান ও সাবেক মেম্বার এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি সালিশি বৈঠকে বসে। একপর্যায়ে সালিশের সামনেই খোরশেদ আলম গংরা আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায় ও নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় এবং আমাদের গুরুতর আহত করে।
এ ব্যাপারে সাবেক ইউপি সদস্য জানান, খোরশেদ আলম গংরা আমার সামনেই বাদশা মিয়া গংদের উপর হামলা চালায়। আমি বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করি। এক পর্যায়ে আমার শরীরেও লাঠির আঘাত লাগে।
এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital