শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা ভাংচুর লুটপাটের অভিযোগ

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩, ১০:৪৩ পিএম
ফরিদগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা ভাংচুর লুটপাটের অভিযোগ

ফরিদগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ছেলের সাথে ঢাকার জুরাইনে বিবাদের অভিযোগে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

হামলার শিকার হয়েছেন গ্রামের হানিফ ঢালি ও তার স্ত্রী। হামলা কারীরা হানিফ ঢালিকে তুলে নিয়ে যান। ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ উপস্থিত হয়ে হানিফ ঢালিকে উদ্ধার করেছেন। একই গ্রামের খলিলুর রহমান ও তার বাবার নেতৃত্বে ওই হামলা হয়েছে বলে ভূক্তভোগীরা দাবী করেছেন।

গতকাল রোববার সন্ধ্যা রাতে এ ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার মিরপুর গ্রামের ঢালি বাড়িতে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঢালি বাড়ির সামনের মুদি দোকানে বসেছিলেন হানিফ ঢালি (৬০)। ওই সময় খলিলুর রহমান (৩৩) ও তার বাবা (৬০)সহ আনুমানিক ৪৫- ৫০ জন লোক ঢালি বাড়ির সামনে যান। তারা হানিফ ঢালির ছেলে আল আমিন (২৫)কে খুঁজছিলেন। দোকানের সামনে না পেয়ে ওই লোকজন বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন।

Model Hospital

হানিফ ঢালির স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৫৫) রাত আনুমানিক সাড়ে আট ঘটিকায় বলেন, অনেক লোক পাকা ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে আঘাত ও হল্লাচিল্লা করে। এক পর্যায়ে ঘরের দরজা খুলে দিলে সবাই ভেতরে ঢুকে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। তারা আসবাবপত্র তছনছ ও জানালার কাঁচ ভাংচুর করে। তিনি বলেন, হামলা কারীরা আসবাবপত্র থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটে নিয়েছে। জানতে চাইলে তিনি দাবী করেন টাকা অন্তত দুই লাখ হবে। আমার গলার স্বর্ণের চেইন ও আসবাবপত্র থেকে মেয়ের স্বর্ণের অলংকার নিয়েছে। মেয়ের স্বর্ণালংকার নিয়েছে কিনা আমি দেখলে বলতে পারবো। তিনি বলেন, ওই সব লোকের সাথে খলিলুর রহমানের স্ত্রীসহ অন্তত ৩/৪ জন নারী ছিলো।

অপরদিকে, খলিলুর রহমানের বাবা এর বসত ঘরে গেলে তিনি জানান, তার ছেলে খলিলুর রহমান (৩৩)কে ঢাকা শহরে বেদমভাবে পিটিয়েছে হানিফ ঢালির ছেলে মানিক ঢালি (৩০)। এতে, তার ছেলের চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে, আমরা মানিককে হাজির করতে বলেছি। তারা তা না করায় আমরা তার খোঁজ করতে গিয়েছি। দোকানের সামনে না পেয়ে ফিরে এসেছি। হানিফ ঢালি স্ত্রীর দাবী অনুযায়ী, ওই বাড়িতে কে বা কারা ঢুকে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এমন পশ্নে তিনি বলেন, আমরা জানি না। তাদের সাথে থাকা এক ব্যক্তি দাবী করেছেন, ওই ঘরে শুধু দুই জন নারী ঢুকেছে।

মুঠোফোনে কথা হয় আল আমিনের সাথে। তিনি জানান, খলিলকে আমার ভাই মানিক মারে নাই। ঢাকার জুরাইন এলাকায় মেরেছে অন্য লোক। আমি ছুটে গিয়ে ওদের নিবৃত্ত করেছি ও খলিলকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পাথরের ব্যবসা বিষয়ে ওই সংঘাত হয়েছে।

এ ব্যপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো.সাইদুল ইসলাম জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক খোঁজ খবর নিয়েছে ও হানিফ ঢালিকে খলিলদের বসত ঘর থেকে উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital