শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

‘জাতীয় পার্টির মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত’ প্রার্থী চুন্নু!

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১০:৩৩ পিএম
‘জাতীয় পার্টির মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত’ প্রার্থী চুন্নু!

জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর নির্বাচনী পোস্টার নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত পোস্টারে ‘জাতীয় পার্টির মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত’ লেখা নিয়ে বইছে সমালোচনার ঝড়। এ নিয়ে নির্বাচনী এলাকা করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ। কারণ ওই এলাকায় আওয়ামী লীগেরই চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।

চুন্নু কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে সমঝোতার প্রার্থী হয়েছেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর শেষ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মধ্যে সমঝোতা হয়। ফলে এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।

আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, সেই ২০০৮ সাল থেকে চুন্নু নৌকায় উঠে সংসদে যাচ্ছেন। কিন্তু এবার সমঝোতার কারণে নৌকার প্রার্থী প্রত্যাহার করলেও রয়েছেন চারজন আওয়ামী পরিবারের স্বতন্ত্র প্রার্থী। সমঝোতার কারণে আওয়ামী লীগ এই আসনে দলীয় প্রার্থী দেয়নি। কিন্তু আওয়ামী লীগ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। সমঝোতাকে আওয়ামী লীগের সমর্থন মনে করার কারণ নেই।

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা নাসিরুল ইসলাম আওলাদ বলেছেন, মুজিবুল হক চুন্নুকে এই আসনে আওয়ামী লীগ ছাড় দিয়েছে, সমর্থন দেয়নি। কাজেই পোস্টারে ‘আওয়ামী লীগ সমর্থিত’ লেখাটা অন্যায় হয়েছে। তাড়াইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক মোতাহারও বলেছেন, ‘চুন্নুকে আওয়ামী লীগ সমর্থন দেয়নি। তার পক্ষে আমরা নির্বাচনী কাজও করছি না। আমরা অপেক্ষায় আছি, আওয়ামী লীগের চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে আলোচনা করে একজন প্রার্থী হলে আমরা তাকে নিয়ে মাঠে নামবো।’

Model Hospital

এদিকে ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী নিউ ইয়র্ক আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহফুজুল হক বলেছেন, ‘বিষয়টি নিয়ে দলের অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করবো।’

এই আসনে আওয়ামী পরিবারের অন্য তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মেজর (অব.) মো. নাসিমুল হক (কাঁচি), কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার গোলাম কবীর ভূঁইয়া (কেটলি) ও মো. রুবেল মিয়া (ট্রাক)। গোলাম কবীর ভূঁইয়া জানিয়েছেন, এই আসনটি জাতীয় পার্টির কবল থেকে পুনরুদ্ধারের জন্য স্বতন্ত্র চারজনের মধ্যে থেকে একজনকে রেখে বাকিরা বসে যাবেন। এরকম একটা আলোচনা নিজেদের মধ্যে চলছে।

পোস্টারের বিষয়ে কথা বলার জন্য মুজিবুল হক চুন্নুকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital