বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নৌকার সমর্থনে শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী পথসভা

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষমতা কারোই নেই : মেজর রফিকুল ইসলাম

রাফিউ হাসান হামজা প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৮:৩১ পিএম
আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষমতা কারোই নেই : মেজর রফিকুল ইসলাম
মহান মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর কমান্ডার, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, চাঁদপুর-৫ (শাহরাস্তি-হাজীগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম বলেছেন, বাংলাদেশ একটা গভীর সমস্যার সম্মুখীন। একটা আন্তর্জাতিক চক্রান্ত চলছে, আওয়ামী লীগকে কিভাবে নাস্তানাবুদ করা যায়। আমি ক্ষমতাচ্যুত বলবো না, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষমতা কারোই নেই।
কারণ আওয়ামী লীগ জনগণের দল। এদেশের আপামর জনতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিল আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কিন্তু নানা ধরনের চক্রান্ত চলছে আমাদের নানাভাবে চাপে ফেলা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একবার নয়, দুইবার নয়, ছয় বার নৌকা প্রতীক আমাকে দিয়েছেন। আমি গত ৫ বারের মধ্যে ৪বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি এবং আপনাদের সহযোগিতায় ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছি। আবারো নৌকা প্রতীক নিয়ে আপনাদের মাঝে এসেছি। এবার আমি নির্বাচিত হলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। কারণ, গত ১৫ বছরে দুই উপজেলার সিংহভাগ উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করেছি। অল্প কিছু কাজ বাকি আছে।
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নৌকায় বসে নৌকাকে ডুবাতে চায়, সে ভালো মানুষ নয়। কারণ, নৌকা স্বাধীনতার প্রতীক, নৌকা উন্নয়নের প্রতীক, নৌকা শান্তি-শৃঙ্খলার প্রতীক। সুতরাং নৌকায় থেকে কোন ভালো মানুষ নৌকার বিরুদ্ধে যেতে পারেনা।
মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম বলেন, যেহেতু উন্নয়ন করার মতো আর কোন কাজ বাকি থাকবে না। তাই, আগামিতে বৃদ্ধ বাবা-মা ও তরুণদের জন্য কাজ করবো। এর মধ্যে তরুণ-যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, বাবা-মা যাতে দুবেলা পেট ভরে খাবার খেতে পারে এবং চিকিৎসার জন্য কেউ যেন জায়গা-জমি বিক্রি করতে না হয়। সেজন্য আমি সংসদে উপস্থাপন করবো এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সে দাবি আদায়ের জোর চেষ্টা করবো।
২৪ ডিসেম্বর রবিবার দিনব্যাপী শাহরাস্তি উপজেলার সুচিপাড়া উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেছেন।
রবিবার দিনব্যাপী তিনি  সূচীপাড়া উত্তর ইউনিয়নের চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, কেশরাঙ্গা, ভড়ুয়া, সূচীপাড়া বাজার, সূচীপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের রাগৈ, নরিংপুর, ফেরুয়া বাজার এলাকায় পথসভা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন।
গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জেড এম আনোয়ার হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ ইরান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তফা কামাল মজুমদার, সুচিপাড়া ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া, সুচিপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান মনির প্রমূখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital