শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর ৫ আসনে ৫বার বিপুল ভোটে জিতে ইতিহাস গড়লেন মেজর রফিকুল ইসলাম

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৪, ৬:২৩ পিএম
চাঁদপুর ৫ আসনে ৫বার বিপুল ভোটে জিতে ইতিহাস গড়লেন মেজর রফিকুল ইসলাম
চাঁদপুর -৫  হাজিগঞ্জ – শাহরাস্তি  আসনে ভোট যুদ্ধে হেভিওয়েট নৌকার প্রার্থী হিসেবে ৫ বার বিপুল ভোটে  জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন সাংসদ মেজর অব.  রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।
রবিবার ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি উপজেলায় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে  এ ফলাফল করেন।
এ আসনটিতে টানা ৪ বারসহ ৫ বার সংসদ সদস্য হিসেবে  জিতে রেকর্ড গড়লেন তিনি মেজর (অঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।
এবার ৬ষ্ঠ বারের মতো হেভিওয়েট নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে জয়ের প্রত্যাশায় নির্বাচন করে ফলাফলে বাজিমাত করলেন তিনি।
চাঁদপুর ৫ আসনের শাহরাস্তি উপজেলায় তিনি নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে সর্বমোট ৮৩হাজার ২ শ ২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হন।
তার মধ্যে তিনি শাহরাস্তি উপজেলায় ৪৫ হাজার ৯ শ ৪০ ভোট পান। যথাক্রমে হাজীগঞ্জ উপজেলায় ৩৭হাজার ২ শ৮৭ ভোট পান।
এদিকে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী মাইনুদ্দিন ৩৮ হাজার ৬ শ ৩৬ ভোট পান।
তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলায় ৩৬  হাজার ৩শ ১৮ ভোট এবং শাহরাস্তি উপজেলায় ২ হাজার ৩ শ ১৮ ভোট পান।
একইভাবে ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব সফিকুল আলম ফিরোজ দুই উপজেলা মিলে ২২ হাজার ৫ শ ৩৫ ভোট পান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানায়, এবার জাতীয় সংসদের ২৬৪ চাঁদপুর ৫ আসনটিতে ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৫শ’ ৯৪ জন ভোটার।
এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬ শ ৪৪ জন। একজন তৃতীয় লিঙ্গের  হিজড়া ভোটার ছিল। ভোটাররা হাজীগঞ্জ ৮৮টি কেন্দ্র ও শাহরাস্তি উপজেলা ৬৫  কেন্দ্রসহ  ১৫৩ টি কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। এছাড়া  সকাল ৮  থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত  বিরতিহীন ভোটগ্রহণ চলে। প্রশাসনের তরফ থেকে সকল নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ভোটাররা নির্বিঘ্নে  তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
উল্লেখ্য, এর পূর্বে সাংসদ মেজর অব: রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম ১৯৯৬ সালে প্রথম নৌকার টিকিট পেয়ে জয়ী হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
সপ্তম (২০০১) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার টিকিট পেয়ে বিএনপি প্রার্থী এম এ মতিনের কাছে পরাজিত হন। তিনি ষষ্ঠ, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন।
এ বিষয়ে  হাজীগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মেয়র আ.স.ম মাহবুব আলম লিপন বলেন, আমাদের সাংসদ একজন যোগ্য প্রার্থী তিনি নৌকা প্রতীকে  বিজয়ী হওয়াতে আমরা আল্লাহ পাকের নিকট শুকরিয়া আদায় করি।
এদিকে  শাহরাস্তি পৌর মেয়র হাজী আব্দুল লতিফ ও  উপজেলা আলীগের সাধারণ সম্পাদক জেড এম আনোয়ার জানান,  সাধারণ মানুষ নৌকাকে ভোট দিয়েছে। এতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে। শাহরাস্তিবাসি আগামী পাঁচ বছরের জন্য অভিভাবককে ফিরে ফেলো।
একই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং নৌকা প্রতীকের নির্বাচনের সমন্বয়কারী এডভোকেট ইলিয়াস মিন্টু বলেন, শাহরাস্তি হাজীগঞ্জ  উন্নয়নের যে মহাযজ্ঞ  রচিত হয়েছে।
তার অবশিষ্ট কাজের পরিসমাপ্তি হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital