বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

৫ হাজার হতদরিদ্র শীতার্থদের মাঝে

কচুয়ায় শীতার্তদের মাঝে সেলিম মাহমুদের কম্বল বিতরণ

মো: রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৪, ১১:২৯ পিএম
কচুয়ায় শীতার্তদের মাঝে সেলিম মাহমুদের কম্বল বিতরণ

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কচুয়া আসনের সাংসদ ড. সেলিম মাহমুদ কচুয়ার ৭টি স্পর্টে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন।

৩ দিনের সফরে প্রথম দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী সাচার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ,রাগদৈল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ,বারৈয়ারা ঈদগাও মাঠ, মাঝিগাছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, বিতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ,তেতৈয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে পৌর মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে ড. সেলিম মাহমুদ ৫ হাজার হতদরিদ্র শীতার্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ কালে সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে প্রধান অতিথির বক্তেব্য তিনি বলেন- বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী আপনাদের জন্য এনেছি।

প্রতিবছর আমি এই শীতের সময় আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী বিশেষ করে কম্বল পৌছে দিতে এসেছি।

তিন দিনের ব্যক্তিগত সফরে আজকে প্রথমদিন শেখ হাসিনার নির্দেশনা তাঁর যে মানবতার রাজনীতি, যে আদর্শ ভিত্তিক রাজনীতি অনুপ্রাণিত হয়ে এই কাজটি করে আসছি গত কয়েক বছর ধরে। জাতির পিতার যে আর্দশ ও স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত, শোষণমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন তা তিনি করতে পারেননি। মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় তাকে হত্যা করেছিল ৭৫ এর ১৫ আগস্ট। তার কন্যা দীর্ঘ ২১ বছর পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছেন জনগণ ভোটে ৫ বছরের জন্য। দেশী বিদেশী নানা ষড়ষন্ত্র করে তাকে ২০০১ সালে প্রহসন মূলক নির্বাচনে তাকে হারানো হয়েছিল। তিনি আবার এ দেশের জনগণের সমর্থন নিয়ে ২০০৮ সালে নির্বাচনে নিরস্কুশ ভাবে বিজয় লাভ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।

Model Hospital

তিনি একটানা ১৫ বছর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। এদেশের সকল কিছু অর্থনীতি, শাসন ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষি ও স্বাস্থ্য এমন কোন খাত নেই যে তিনি যুগান্তকারী উন্নয়ন করেননি। আজকে বাংলাদেশ তাঁর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী অর্থনীতি রাষ্ট্র। এ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দেশী ও বিদেশী ষড়ষন্ত্র হয়েছে এখনো হচ্ছে। আল্লাহ্র অশেষ রহমতে এদেশের মানুষের অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে তিনি দেশী বিদেশী সকল ষড়ষন্ত্র নসাৎ করেছেন। আজকে এ দেশের মানুষ ৭ই জানুয়ারী নির্বাচনে সর্ম্পন্ন আস্থা রেখে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়েছে। আমি আজকে এসেছি শুধু উপহার বিতরণের জন্য নয়।

আজকে এসেছি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য। আমরা যে কথাগুলো বলেছিলাম সে কথা গুলো বিশ^াস করেছিলেন বলেই আপানারা ৭ ই জানুয়ারী এই কচুয়ার প্রতিটি ইউনিয়নে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে হাজার হাজার মানুষ আমি দেখেছি। তারা ঘর থেকে বেড়িয়ে ভোট দিতে এসেেছ। বলেছিলাম এই নির্বাচন কোন হার জিতের নির্বাচন নয়। এই নির্বাচন কোন প্রার্থীর জিতানো নির্বাচন নয়। এই নির্বাচন হচ্ছে দেশ রক্ষার নির্বাচন। দেশের অর্থনীতি রক্ষার নির্বাচন। চাকরি রক্ষার নির্বাচন। আপনারা আমাদের কথা বিশ^াস করেছেন শেখ হাসিনার প্রতি আপনাদের যে .ঋণ সেই ঋণ পরিশোধ করা নির্বাচন। ৪৭ শতাংশ ভোট নৌকার পক্ষে দিয়েছেন। নেত্রীর পক্ষ থেকে আপনাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

এসময় চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আইয়ুব আলী পাটওয়ারী,ঢাকা শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম আতিকুর রহমান,কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ,পৌর মেয়র মো. নাজমুল আলম স্বপন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম, আওয়ামী লীগ নেতা ফয়েজ আহমেদ স্বপন,ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন, মনির হোসেন, ইসহাক সিকদার, আলী আক্কাস মোল্লা, এম আখতার হোসাইন, হাবিব মজুমদার জয়সহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ’রা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।