বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে বালুকাটার অপরাধে ১টি ড্রেজারসহ ২ শ্রমিক আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৯:৪৮ পিএম
চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে বালুকাটার অপরাধে ১টি ড্রেজারসহ ২ শ্রমিক আটক
আবারো মেঘনা ও পদ্মা নদীতে প্রকাশ্য দিবালোকে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বালু খেকো সিন্ডিকেট চক্ররা। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সন্ত্রাসী পাহারায় রেখে চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার চর ভৈরবী শেষ সীমানায় ড্রেজার দিয়ে বালু কাটছে।
অবশেষে চাঁদপুর নৌ এসপি কামরুজ্জামানের নির্দেশে পুলিশের বিশেষ টিম নদীতে অভিযান চালিয়ে বালু কাটার সময় ড্রেজার মেশিন সহ ২ জন শ্রমিক আটক করে।
নৌ পুলিশ ড্রেজার জব্দ করে নিয়ে আসার সময় তাদের উপর সেই বালু খেকোরা হামলা চালানোর চেষ্টা করে।
অবশেষে চর ভৈরবী নৌ পুলিশ ফাঁড়িকে আটককৃত শ্রমিকদের নিয়ে আসা হয়।
দীর্ঘদিন যাবত চাঁদপুরের সেই আলোচিত বালু উত্তোলনকারী চক্রটি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে নদীতে বালু কাটছে। নৌ পুলিশ বেশ কয়েকবার নদীতে অভিযান চালিয়ে সেই অবৈধ ড্রেজারসহ বলগেট জব্দ করার পর কিছুদিন বালু উত্তোলন বন্ধ ছিল।
তারপরেও ফের চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার শেষ সীমানায় মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলন করে সরকারের কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে।
এই অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি সচেতন মহলের।
নীলকমল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর খানের কাছে অভিযানের তথ্য জানতে তিনি সঠিক তথ্য না দিয়ে তালবাহানা করেন।
অভিযোগ রয়েছে অবৈধভাবে নদীতে বালু উত্তোলনকারীরা নৌ পুলিশের এসকল অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে বালু উত্তোলন করছে।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।