বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় সরকারি প্রাথমিক

বিদ্যালয়ের সম্পত্তি দখল করে ইউপি চেয়ারম্যানের পারিবারিক বাগান

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৮:০৯ পিএম
বিদ্যালয়ের সম্পত্তি দখল করে ইউপি চেয়ারম্যানের পারিবারিক বাগান

কচুয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে পারিবারিক বাগান করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম সওদাগর।

তিনি কচুয়া উপজেলার ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানের পাশাপাশি ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের উত্তর পাশেই একটি বাগানে সাটানো রয়েছে ইউপি চেয়ারম্যানের নাম ও ছবি সম্মেলিত একটি সাইন বোর্ড। তিনি তার দখলীয় বলে নিজের নাম, পদবী ও ছবি দিয়ে দলীয় সত্ত্বে সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে রেখেছেন। পাঠদান চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে ৭জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ৮জন ও তৃতীয় শ্রেণিতে ৩জন শিক্ষার্থী উপস্থিত দেখতে পাওয়া যায়।

ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্পত্তি দখলের সত্যতা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তার বলেন, উপজেলার ১৫১ নং লুন্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩ শতক সম্পত্তির মধ্যে ২৪ শতক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দখলে রয়েছে। বাকী ৯শতক সম্পত্তিতে ওই এলাকার বাসিন্দা ইউপি চেয়ারম্যান সভাপতি আব্দুস সালাম সওহদাগরের পারিবারি বাগান তৈরি করে দখলে রেখেছেন।

Model Hospital

স্থানীয়রা জানান, পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ইউপি চেয়ারম্যান ভাতিজা। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই পারিবারিকভাবে ও প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তারের যোগসাজশে সম্পত্তি দকল করে রেখেছে।

পরিচালনা পর্ষদের অবহেলার কারনে বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বেদখল হয়ে আছে। এখানে শিক্ষার কোন পরিবেশ ও শিক্ষকদের তদারকির অভাব, পাঠদানে অমনোযোগীতার না থাকার ফলে ক্রমেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে ৩০/৩৫ দাড়িয়েছে। তাছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষক পারভীন আক্তার নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। মাঝে মধ্যে আসলেও স্বল্প সময় অবস্থান করে উপজেলার মিটিং আছে বলে স্বাক্ষর দিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন।

নাম প্রকাশে অনিশ্চুক ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, পাশ^বর্তী গ্রামেরই প্রধান শিক্ষকের বাড়ি। তিনি সব সময় দাপট খাটিয়ে চলেন। তার ভয়ে আমরা মুখ খুলতে পারিনা।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্পত্তিতে পারিবারিক বাগান তৈরি সত্যতা স্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম সওদাগর বলেন, আমি পরিত্যক্ত জায়গায় ফলফলাদি গাছের বাগান করেছি। আপনারা বললে আমি গাছ কেঁটে ফেলবো। স্কুলের কোন জায়গা আমি দখল করিনি।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা সুভাশ চন্দ্র জানান, বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বেদখলে থাকার বিষয়টি প্রধান শিক্ষক আমাদের অবহিত করেননি। শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য প্রধান শিক্ষকসহ সহকারি শিক্ষকদেরকে

বারংবার তাগিদ দেওয়া সত্তেও কোন প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। প্রধান শিক্ষকসহ ৫ সহকারি শিক্ষককে বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত না থাকার কারনে ইতিমধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হাসান বলেন, সার্ভেয়ার নিয়োগ করে অচিরেই বিদ্যালয়ের সম্পত্তি নির্ধারন করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital