শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে পরীক্ষা ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়াই পশু জবাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬:৫০ এম
মতলব উত্তরে পরীক্ষা ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়াই পশু জবাই

নিজস্ব প্রতিবেদক : মতলব উত্তরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়াই বাজারগুলোতে গবাদিপশু জবাই করে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জবাই করা পশুর শরীরে কোনো রোগ-বালাই রয়েছে কি না এমন কোনো ধারণা নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছেংগারচর পৌরসভা এলাকায় প্রতিদিন অন্তত চারটি গরু জবাই করা হয়। সোমবার ও শুক্রবার সাপ্তাহিক হাট বসে। হাটের দিনে জবাই করা পশুর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। প্রতিটি গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার দায়িত্বে একজন চিকিৎসক থাকার কথা।

সম্প্রতি মতলব উত্তরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকটি বাজারে ব্যবসায়ীরা গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছেন।
ছেংগারচর বাজারের সফিকুল ইসলাম নামে একজন ক্রেতা বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, পশু জবাই করার আগে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ছাড়পত্র এবং পশুর শরীরে সিল দেবেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রোগ নির্ণয়ে কোনো ধরনের তদারকি না থাকার ফলে সাধারণ ক্রেতারা ভেজালমুক্ত মাংস কেনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

পৌর শহরের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, লোকজন মারা যাওয়া গরুর মাংস খাচ্ছে নাকি রোগাক্রান্ত গরুর মাংস খাচ্ছে, তা বোঝার কোনো উপায় নেই। তারপরও এ মাংস কেনা ছাড়া উপায় নেই।

Model Hospital

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো ছাড়পত্র আছে কি নেই-এমন প্রশ্নের জবাবে মাংস ব্যবসায়ী মনির হোসেন বলেন, বেশির ভাগ গরু ভালো থাকায় ছাড়পত্র নেওয়া হয় না। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করলেও পৌরসভার কর্মচারীরা তদারকি করে বলে জানান তিনি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. তানভীর আনজুম অনিক বলেন, প্রতিদিন পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার মতো জনবল আমাদের নেই। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া গবাদিপশুর মাংস খাওয়া ঠিক না। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা ও ছাড়পত্র দেওয়া পৌরসভার কাজ।
ছেংগারচর পৌরসভার সচিব শাহ সুফিয়ান খান বলেন, আমাদের গবাদিপশু পরীক্ষার জন্য নিজস্ব কোনো জনবল নেই। এ জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় না।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital