ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে পরীক্ষা ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়াই পশু জবাই

নিজস্ব প্রতিবেদক : মতলব উত্তরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়াই বাজারগুলোতে গবাদিপশু জবাই করে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জবাই করা পশুর শরীরে কোনো রোগ-বালাই রয়েছে কি না এমন কোনো ধারণা নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

Model Hospital

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছেংগারচর পৌরসভা এলাকায় প্রতিদিন অন্তত চারটি গরু জবাই করা হয়। সোমবার ও শুক্রবার সাপ্তাহিক হাট বসে। হাটের দিনে জবাই করা পশুর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। প্রতিটি গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার দায়িত্বে একজন চিকিৎসক থাকার কথা।

সম্প্রতি মতলব উত্তরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকটি বাজারে ব্যবসায়ীরা গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছেন।
ছেংগারচর বাজারের সফিকুল ইসলাম নামে একজন ক্রেতা বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, পশু জবাই করার আগে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ছাড়পত্র এবং পশুর শরীরে সিল দেবেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রোগ নির্ণয়ে কোনো ধরনের তদারকি না থাকার ফলে সাধারণ ক্রেতারা ভেজালমুক্ত মাংস কেনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

পৌর শহরের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, লোকজন মারা যাওয়া গরুর মাংস খাচ্ছে নাকি রোগাক্রান্ত গরুর মাংস খাচ্ছে, তা বোঝার কোনো উপায় নেই। তারপরও এ মাংস কেনা ছাড়া উপায় নেই।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো ছাড়পত্র আছে কি নেই-এমন প্রশ্নের জবাবে মাংস ব্যবসায়ী মনির হোসেন বলেন, বেশির ভাগ গরু ভালো থাকায় ছাড়পত্র নেওয়া হয় না। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করলেও পৌরসভার কর্মচারীরা তদারকি করে বলে জানান তিনি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. তানভীর আনজুম অনিক বলেন, প্রতিদিন পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার মতো জনবল আমাদের নেই। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া গবাদিপশুর মাংস খাওয়া ঠিক না। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা ও ছাড়পত্র দেওয়া পৌরসভার কাজ।
ছেংগারচর পৌরসভার সচিব শাহ সুফিয়ান খান বলেন, আমাদের গবাদিপশু পরীক্ষার জন্য নিজস্ব কোনো জনবল নেই। এ জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় না।

ট্যাগস :

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

মতলব উত্তরে পরীক্ষা ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়াই পশু জবাই

আপডেট সময় : ০৬:৫০:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক : মতলব উত্তরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়াই বাজারগুলোতে গবাদিপশু জবাই করে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জবাই করা পশুর শরীরে কোনো রোগ-বালাই রয়েছে কি না এমন কোনো ধারণা নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

Model Hospital

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছেংগারচর পৌরসভা এলাকায় প্রতিদিন অন্তত চারটি গরু জবাই করা হয়। সোমবার ও শুক্রবার সাপ্তাহিক হাট বসে। হাটের দিনে জবাই করা পশুর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। প্রতিটি গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার দায়িত্বে একজন চিকিৎসক থাকার কথা।

সম্প্রতি মতলব উত্তরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকটি বাজারে ব্যবসায়ীরা গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছেন।
ছেংগারচর বাজারের সফিকুল ইসলাম নামে একজন ক্রেতা বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, পশু জবাই করার আগে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ছাড়পত্র এবং পশুর শরীরে সিল দেবেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রোগ নির্ণয়ে কোনো ধরনের তদারকি না থাকার ফলে সাধারণ ক্রেতারা ভেজালমুক্ত মাংস কেনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

পৌর শহরের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, লোকজন মারা যাওয়া গরুর মাংস খাচ্ছে নাকি রোগাক্রান্ত গরুর মাংস খাচ্ছে, তা বোঝার কোনো উপায় নেই। তারপরও এ মাংস কেনা ছাড়া উপায় নেই।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো ছাড়পত্র আছে কি নেই-এমন প্রশ্নের জবাবে মাংস ব্যবসায়ী মনির হোসেন বলেন, বেশির ভাগ গরু ভালো থাকায় ছাড়পত্র নেওয়া হয় না। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করলেও পৌরসভার কর্মচারীরা তদারকি করে বলে জানান তিনি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. তানভীর আনজুম অনিক বলেন, প্রতিদিন পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার মতো জনবল আমাদের নেই। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া গবাদিপশুর মাংস খাওয়া ঠিক না। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা ও ছাড়পত্র দেওয়া পৌরসভার কাজ।
ছেংগারচর পৌরসভার সচিব শাহ সুফিয়ান খান বলেন, আমাদের গবাদিপশু পরীক্ষার জন্য নিজস্ব কোনো জনবল নেই। এ জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় না।