শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে মাকে খুনের ৬ ঘন্টা পর ঘাতক ছেলে আটক

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৪, ৯:০৮ পিএম
ফরিদগঞ্জে মাকে খুনের ৬ ঘন্টা পর ঘাতক ছেলে আটক

ফরিদগঞ্জে মাকে খুনের ৬ ঘন্টা পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে পৌর এলাকার কেরোয়া থেকে স্থানীয়রা ঘাতক ছেলে রাছেলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।

এঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘুমন্ত মাকে খুন করে পালিয়ে যাওয়ার পর রাছেলের ছবি ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। ওই ছবি দেখে কেরোয়া এলাকার স্থানীয়রা ঘাতক ছেলে রাছেলকে চিনতে পেরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ কে খবর দেয়।

পরে ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক রুবেল ফরাজী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘাতক ছেলে রাছেলকে পুলিশী হেফাজতে নেন।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামের খান বাড়িতে ছেলের হাতে নির্মমভাবে খুন হয় আপন গর্ভধারিনী মা।

Model Hospital

খুন হওয়া রানু বেগম (৫৫) খান বাড়ির আতর খানের স্ত্রী। ঘাতক ছেলে রাছেল (২২) ঘটনার পর পালিয়ে যায়।

নিহতের স্বামী আতর খাঁন বলেন, আমার ৩ মেয়ে ও ২ ছেলের মধ্যে রাছেল সবার ছোট। গত কয়েকদিন যাবত তাকে বিয়ে করানোর জন্য আমাদেরকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। সে আমাকেও গত কয়েকদিন পূর্বে মেরেছে। আমি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় বাবুর্চির কাজ করি। আমার ছেলে রাছেল দুপুর ২ টা ৪৯ মিনিটে আমাকে ফোন দিয়ে বলে তার মাকে কে যেন ঘরে জবাই করে রাখছে। তখন আমি নিশ্চিত হয়েছি, আমার স্ত্রী তার সন্তানের হাতেই খুন হয়েছে। ফোন কেটে সাথে সাথে আমি বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী রানু বেগমের মরদেহ বিচানায় পড়ে আছে। আমার ছেলে রাছেল পালিয়ে গেছে। পরে আমার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এসে পুলিশকে খবর দেয়।

যানা যায়, ঘাতক রাছেল গত কয়েক বছর পূর্বে ঢাকার একটি বাসায় দারোয়ানের চাকুরী করতো। তার মানসিক সমস্যা থাকায় তাকে ওই বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে সে গ্রামের বাড়িতে এসে থাকতো।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, হত্যার সংবাদ শুনে  ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত রানু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার শিকার রানু বেগমের স্বামী আতর খাঁন ও তার মেয়ে শাহিনের বক্তব্যনুযায়ী নিজের ছোট ছেলে রাছেল কর্তৃক হত্যার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত রাছেলকে আটক করা হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital