শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সরিষার ভিতরে ভূতের বসবাস

হাইমচর মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ জালের সয়লাব” ধ্বংস হচ্ছে মৎস্য সম্পদ

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪, ৯:২৯ পিএম
হাইমচর মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ জালের সয়লাব” ধ্বংস হচ্ছে মৎস্য সম্পদ
হাইমচরের মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা  নিধন করছে অসাধু জেলেরা। প্রতিদিন নিধন করা হয় কয়েক কোটি মাছের পোনা। বাঁধা জাল, গচি জাল, চায়না জালসহ নিষিদ্ধ জাল গুলো নদীতে পেলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা নিধন করে চরভৈরবী মাছের আড়তে  প্রকাশ্যে বিক্রি করা হয়। ধ্বংস করা হচ্ছে মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করেই মেঘনায় এ নিষিদ্ধ জাল দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা নিধন করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে মৎস্য পাড়ায় রয়েছে বেশ সমালোচনা।
চরভৈরবী ইউনিয়নের কয়েকজন জেলে জানান, হাইমচর উপজেলার সবচাইতে বড় মাছের আড়ত হচ্ছে চরভৈরবী। এখানের বেশিরভাগ আড়তদার প্রভাবশালী। নজরুল ইসলাম নজু ফকির, হুমায়ুন প্রধানীয়া, বিল্লাল বেপারী, সৈয়দ চৈদার, ইউপি চেয়ারম্যান শিমুল চোকদারের আড়তে প্রতিদিন ভোর ৬ টায় নিষিদ্ধ জালের নিধনকৃত মাছের পোনা গুলো বিক্রি করে। এই আড়তদাররা নীলকমল নৌপুলিশসহ  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের আয়কৃত টাকার ভাগবাটোয়ারার মাধ্যমে নদীর বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই ভাগবাটোয়ারার বিষয়টি সবাই জানে, চায়ের দোকানে পাড়া মহল্লায় আলোচনা হয়। কিন্তু ভয়ে কেউ কিছু বলে না। এ লোক গুলো যদি জানে আমরা আপনাদের তথ্য দিয়েছি তাহলে বাড়ি ঘরে থাকতে দিবে না। আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করবে। তাদের অপকর্মের কথা সবাই জানে ভয়ে মুখ খুলে না। বলেই কি হবে আর আপনারা লেখলেই কি হবে মাছের পোনা নিধন কখনোই বন্ধ হবে না। কারণ সরিষার ভিতরে ভূতের বসবাস।
চরভৈরবী আড়তদার নজু ফকির বলেন, আমার আড়তে গচি জালের মাছ বিক্রি হয়। কিন্তু বাঁধা জাল কিংবা চায়না জালের মাছ বিক্রি হয় না।
ইউপি চেয়ারম্যান ইউসুফ জুবায়ের শিমুল জানান, আমাদের চরভৈরবী আড়তে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে নিধনকৃত মাছের পোনা বিক্রির সংবাদ পেয়ে আজ আড়তে গিয়ে সকল আড়তদার ও জেলেদেরকে মাছের পোনা নিধন ও বিক্রির জন্য নিষেধ করেছি। আমি মাছের পোনা নিধনকৃত জেলেদের তালিকা সংগ্রহ করেছি। উপজেলা প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
নীলকমল নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, গতকাল রাতে নদীতে অভিযান পরিচালনা করেছি। নদীতে জোয়ার থাকায় কোন গচি জাল পাই নি। বাঁধা জালের নৌকা গুলো আমাদের দেখে পালিয়ে যায়। আমরা এসকল নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ নিধন বন্ধ করার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছি।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাবুবুর রহমান জানান, নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছের পোনা নিধনের সংবাদ পেয়ে নদীতে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু গচি জাল উদ্ধার করে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছি। নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital