শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম

চাঁদপুরের নৌ পথে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তৎপর নৌ পুলিশ

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ১ জুন, ২০২৪, ৮:৫৯ পিএম
চাঁদপুরের নৌ পথে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তৎপর নৌ পুলিশ

চাঁদপুরের নৌ পথে শৃঙ্খলা আনা, মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণ, অবৈধ কারেন্ট জালের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধ, ঝোপ অপসারণ, নদীদূষণ রোধ, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, নৌ পথে চুরি-ডাকাতিসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে নৌ পুলিশ। নৌ পুলিশ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করার কারণে নৌপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের পরিমাণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে।

শনিবার (১ জুন) নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম এর সাথে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি বলেন
নৌপথে যেকোনো প্রয়োজনে প্রথম সাড়াদানকারী ইউনিট হিসেবে নৌ পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। ‘পুলিশের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে। তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা প্রদান করে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। পুলিশি সেবা পেতে মানুষ যেন কোন ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য প্রত্যেক নৌ পুলিশ সদস্যকে সচেষ্ট থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল স্বাধীন সোনার বাংলা বিনির্মাণ। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ণে তার কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবহমান বাংলার নৌ পথ সুরক্ষায় ২০১০ সালে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের ধারণা দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নৌ পুলিশ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট আত্মপ্রকাশ করে। নৌ পথে জনগণকে নিরাপত্তা দিতে নৌ পুলিশ নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষার্থে নৌ পুলিশ প্রত্যক্ষভাবে কাজ করছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম একটি উৎস মৎস্য সম্পদ। মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণে নৌ পুলিশ সারা বছর বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে থাকে। পাশাপাশি মৎস্য পেশার সঙ্গে জড়িত সব সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতেও নৌ পুলিশ কাজ করে চলেছে।’

অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‌‘চাঁদপুর অঞ্চলের সকল নৌ পুলিশ অল্প সময়ের মধ্যে নৌপথে যাত্রী, নৌযান মালিক এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। ‘ভালো কাজের মধ্য দিয়ে নিজেদের ভালো কাজের রেকর্ড ভাঙতে হবে।’

Model Hospital

নৌ পথে জনগণকে নিরাপত্তা দিতে নৌ পুলিশ নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষার্থে নৌ পুলিশ প্রত্যক্ষভাবে কাজ করছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম একটি উৎস মৎস্য সম্পদ। মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণে নৌ পুলিশ সারা বছর বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে থাকে। পাশাপাশি মৎস্য পেশার সঙ্গে জড়িত সব সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতেও নৌ পুলিশ কাজ করে চলেছে।’

মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম বলেন, বিগত সময়ের তুলনায় বর্তমানে মাছের উৎপাদন ব্যাপক হারে বেড়েছে। এছাড়াও, নদীতে নিয়মিত টহল ও অভিযান পরিচালনা করায় নৌ অধিক্ষেত্রে নৌ সন্ত্রাসের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। নৌ পুলিশ প্রতিষ্ঠার ১১ বছরের অগ্রযাত্রায় নৌ পুলিশ নৌ পথে জনগণের ভরসাস্থলে পরিণত হয়ে উঠেছে।’

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital