বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে সিমস্ প্রকল্প বিষয়ক অবহিতকরণ সভা

শ্রম অভিবাসনে অনেক মানুষ প্রায়ই প্রতারণা হচ্ছে : ইউএনও সাখাওয়াত জামিল

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:০৮ পিএম
শ্রম অভিবাসনে অনেক মানুষ প্রায়ই প্রতারণা হচ্ছে : ইউএনও সাখাওয়াত জামিল

উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় অংশীজনদের পর্যায়ের প্রকল্প বিষয়ক অবহিতকরণ সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত।

চাঁদপুরে সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিসটেন্সের আয়োজনে উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে শক্তিশালী এবং তথ্যপূর্ণ মাইগ্রেশন সিস্টেম (সিমস্) ২য় পর্যায়ের প্রকল্প বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভায় সভাপতির বক্তব্য দেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাখাওয়াত জামিল সৈকত।

তিনি বলেন, আজকে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যেকোন সমস্যাকে চিহ্নিত করাই হচ্ছে বড় একটা অগ্রগতি। সমস্যা চিহ্নিত করলেই আপনি সমাধানের পথ খুঁজতে পারবেন। যখন তখন দেশের বাইরে যাওয়া নয়। দেশের বাইরে গেলে অবশ্যই চিন্তা-ভাবনা করে যেতে হবে।

ইউএনও বলেন, শ্রম অভিবাসনে অনেক মানুষ প্রায়ই প্রতারণা হচ্ছে। প্রতারণার অনেক লেয়ার সম্পর্কে আমরা অবগত নই। প্রতারণা অনেকভাবেই হয়। কিছু কিছু প্রতারণা স্কেলটা এত বেশি যার কারনে পরিবারও ধ্বংস হয়ে যায়। দেশের বাইরে কেউ গেলে একা যাওয়া হয় না। পিছে থাকে তার পুরো পরিবার। সুন্দরভাবে কাজ করলে কখনো বিপদে পরে না।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, আমরা সবাই ভালোভাবে টাকা উপার্জন করতে চাই। কিন্তু সঠিক জায়গায় ব্যয় করা অনেকেই জানি না। অর্থ উপার্জনের শিক্ষা অনেকের কাছ থেকেই নিয়ে থাকি কিন্তু অর্থ সঠিককাজে ব্যয় করার শিক্ষা নিতে পারি না বা পাই না। সারাটা জিবন যখন দেশে এসে দেখে অর্থ সঠিক জায়গায় ব্যয় না হওয়ায় অসহায় জীবন-যাপন করে।

সিসিডিএ এর সিমস্ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মো. নাজমুল আহাসানের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সিসিডিএ এর সিমস্ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. ইকবাল হোসেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আল ইমরান খান, পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রাজিব শর্মা, ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প সিসিডিএ চাঁদপুর জেলার রিজিওনাল ম্যানেজার মো. জাকির হোসেন।

সভায় রেজিষ্ট্রেশন, আসন গ্রহন ও পরিচিত পর্বে ছিলেন সিসিডিএ এর সিমস্ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তার। এছাড়াও সভায় প্রকল্পের কার্যক্রম, উপকারভোগী ও সেবাসমূহ, নিরাপদ অভিবাসন, উভয়পাক্ষিক সমন্বয় সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রসঙ্গত, শ্রম অভিবাসনে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সিসিডিএ ২০০৭ সাল থেকে নিরাপদ, নিয়মিত ও ধারাবাহিক শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করতে তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দাতা সংস্থা সুইচ ডেভেলপমেন্ট কোপারেশন এসডিজি এবং হেলভেটাস বাংলাদেশ এর কারিগরি সহযোগিতায় সি সি ডি এ চাঁদপুর জেলার ছয়টি উপজেলার ত্রিশটি ইউনিয়নে তথ্যপূর্ণ মাইগ্রেশন সিস্টেম (সিমস্) ফেইজ-২ নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital