শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

রিপন মালকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন বিএনপিনেতা হাজী মোশারফ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:১২ পিএম
রিপন মালকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন বিএনপিনেতা হাজী মোশারফ

আড়াই শ' শয্যার চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পৌর যুবদল নেতা রিপন মালকে দেখতে তার শয্যাপাশে শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসার খোঁজ খবর নিচ্ছেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোঃ মোশারফ হোসেন।

গুরুতর আহত হয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চাঁদের পৌর ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ রিপন মালকে দেখতে গিয়েছেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোঃ মোশারফ হোসেন।

বুধবার সন্ধ্যায় হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রিপন মালকে দেখতে যান তিনি। এ সময় তিনি তার শয্যাপাশে কিছুক্ষণ অবস্থান করে শারীরিক এবং চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

হাজী মোশারফ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি ভালোবাসা এবং মানবিক কারণে তিনি এখানে ছুটে এসেছেন।

যেহেতু চাঁদপুরের মাটিতে তার জন্ম। দলীয় নেতা-কর্মী বা সাধারণ মানুষের সেবায় তিনি সাধ্য ও সামর্থ্য অনুযায়ী সবসময় পাশে আছেন এবং থাকছেন। তার সহযোগিতা সামান্য হলেও ভালোবাসা এবং এর গভীরতা অনেক বেশি। সব সময় তিনি দলের নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করে যাবেন বলে জানান।

Model Hospital

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইউসুফ আলী, জেলা যুবদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহম্মদ মোজাম্মেল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মাসুদ আকন্দ, মোস্তফা মাঝি, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সেলিম মিজি প্রমুখ।

উল্লেখ্য, যুবদল নেতা রিপন মাল নিজ বাসভবনের বাথরুমে পড়ে গিয়ে মারাত্মক আহত হন। তার বাম পায়ের গোড়ালির রগ কেটে গেছে।

বুধবার তার সফল অস্ত্রোপচার হয়েছে। বর্তমানে তিনি আড়াই শ’ শয্যার চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের ওটি ওয়ার্ডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ রয়েছেন।

শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

উপজেলার শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ।

সারাদেশের ন্যায় এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় ফলাফলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সার্বিক পাসের হারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে।

শনিবার ৩১ শে অক্টোবর প্রকাশিত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নিজ উপজেলায় এবারের এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬%, আলিমে ৬৪.১৩% । তন্মেধ্যে এইচএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ০৩ জন ও আলিমে ০৭ জন।

জানা যায়, উপজেলার ৯ টি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ৫শ ৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে পাস করে ৬শত ২৯ জন এবং আলিমে ১৪টি মাদ্রাসা থেকে ৪শ ৬০জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করে ২শ ৯৫ জন।  কচুয়ার অজয় পাড়া গায়ে হাসিমপুর গ্রামে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ ফলাফলের দিক থেকে এবারো উপজেলা পর্যায়ে ১ম স্থান অর্জন করেন।

এ কলেজ থেকে ১৭১জন পরীক্ষা অংশগ্রহন করে ১শ ৫৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন। ২য় স্থান অর্জন করে নিশ্চিন্তপুর ডিএস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা । এ মাদ্রাসা  থেকে ৪৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ০২  জন।

Model Hospital

উপজেলার কলেজ ও মাদ্রাসা গুলোতে এমন ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল করা এবং ফলাফলের এই ধস দেখে অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মহল চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা জানান, ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার অভাব, পাঠদানের মান হ্রাস এবং সার্বিক নজরদারির অভাবেই আজকের এই ফলাফল। দ্রুত এই বিপর্যয় উত্তরণে শিক্ষা বিভাগ ও কলেজ কর্তপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে শিক্ষার মান আরও তলানিতে ঠেকবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।