শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

কল্যানপুর ইউনিয়নে সিমস্ প্রকল্প বিষয়ক অবহিতকরন সভা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:৩৭ পিএম
কল্যানপুর ইউনিয়নে সিমস্ প্রকল্প বিষয়ক অবহিতকরন সভা

চাঁদপুর সদর উপজেলা ৩ নং কল্যানপুর ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে অংশীজনদের সাথে সিমস্ প্রকল্প বিষয়ক দিনব্যাপী অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউনিয়ন পর্যায়ে অংশীজনদের সাথে সিমস্ প্রকল্প বিষয়ক দিনব্যাপী অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকালে বাবুরহাট সিমস প্রকল্পের জেলা অফিসে চাঁদপুর সদর উপজেলা ৩ নং কল্যানপুর ইউনিয়নের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে দিনব্যাপী অবহিতকরন সভার আয়োজন করা হয়।

উক্ত ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তি হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে সিসিডিএ সিমস প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তারের সঞ্চালনায় সিমস প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মো: নাজমুল আহসান, প্রকল্প কর্মকর্তা আব্দুর রাহিম ও মনিটরিং অফিসার মো: রফিকুল ইসলাম, ৩ নং কল্যানপুর ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফজলুল হক গাজী, সকল ওয়ার্ডের মেম্বার, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ৩৫ জন গন্যমান্য ব্যক্তিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য: শ্রম অভিবাসনে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সিসিডিএ ২০০৭ সাল থেকে নিরাপদ, নিয়মিত ও ধারাবাহিক শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করতে তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দাতা সংস্থা সুইচ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন এসডিসি এবং হেলভেটাস বাংলাদেশ এর কারিগরি সহযোগিতায় সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিসটেন্স( সিসিডিএ) চাঁদপুর জেলার ছয়টি উপজেলার ত্রিশটি ইউনিয়নে তথ্যপূর্ণ মাইগ্রেশন সিস্টেম (সিমস্) ফেইজ-২ নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

Model Hospital

সিসিডিএ সিমস প্রকল্প চাঁদপুর জেলার ৬ টি উপজেলার প্রাথমিক ভাবে ৩০ টি ইউনিয়নে তাঁদের কার্যক্রম আগামী ৪ বছরের জন্য পরিচালনা করে থাকবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

উপজেলার শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ।

সারাদেশের ন্যায় এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় ফলাফলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সার্বিক পাসের হারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে।

শনিবার ৩১ শে অক্টোবর প্রকাশিত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নিজ উপজেলায় এবারের এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬%, আলিমে ৬৪.১৩% । তন্মেধ্যে এইচএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ০৩ জন ও আলিমে ০৭ জন।

জানা যায়, উপজেলার ৯ টি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ৫শ ৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে পাস করে ৬শত ২৯ জন এবং আলিমে ১৪টি মাদ্রাসা থেকে ৪শ ৬০জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করে ২শ ৯৫ জন।  কচুয়ার অজয় পাড়া গায়ে হাসিমপুর গ্রামে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ ফলাফলের দিক থেকে এবারো উপজেলা পর্যায়ে ১ম স্থান অর্জন করেন।

এ কলেজ থেকে ১৭১জন পরীক্ষা অংশগ্রহন করে ১শ ৫৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন। ২য় স্থান অর্জন করে নিশ্চিন্তপুর ডিএস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা । এ মাদ্রাসা  থেকে ৪৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ০২  জন।

Model Hospital

উপজেলার কলেজ ও মাদ্রাসা গুলোতে এমন ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল করা এবং ফলাফলের এই ধস দেখে অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মহল চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা জানান, ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার অভাব, পাঠদানের মান হ্রাস এবং সার্বিক নজরদারির অভাবেই আজকের এই ফলাফল। দ্রুত এই বিপর্যয় উত্তরণে শিক্ষা বিভাগ ও কলেজ কর্তপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে শিক্ষার মান আরও তলানিতে ঠেকবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।