শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

পালবাজার ব্যবসায়ীদের সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৪, ৫:৫৪ পিএম
পালবাজার ব্যবসায়ীদের সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া

চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী পালবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ হারুন অর রশীদ পাটোয়ারীর উদ্যোগে পালবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আকবর গাজীর সহ বাজারের যে সকল ব্যবসায়ী অসুস্থ রয়েছে তাদের আশু সুস্হতা কামনায় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির আয়োজনে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

২৫ নভেম্বর সোমবার বাদ জোহর শহরের চৌধুরী জামে মসজিদে উক্ত মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে মুনাজাত পরিচালনা করেন উক্ত মসজিদের খতিব মাওঃ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পালবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হারুন অর রশীদ পাটোয়ারী, সহ সভাপতি মিজানুর রহমান হাওলাদার, মনিরুল ইসলাম মনির, ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা সাংবাদিক শওকত আলী, ব্যবসায়ী সমিতির নেতা ও ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বেপারী, মাহবুব মোস্তফা, সোহেল খান, লুৎফুর রহমান লুতু ছৈয়াল, ওমর ফারুক পাটোয়ারী (আপন), সেলিম খন্দকার, আরিফ খন্দকার, তপন সাহা, স্বপন দে কামাল হাওলাদার, মাংস ব্যবসায়ী মাসুদ গাজী, শাহজাহানসহ বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বাজারের ব্যবসায়ীগন।

Model Hospital

শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

উপজেলার শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ।

সারাদেশের ন্যায় এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় ফলাফলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সার্বিক পাসের হারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে।

শনিবার ৩১ শে অক্টোবর প্রকাশিত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নিজ উপজেলায় এবারের এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬%, আলিমে ৬৪.১৩% । তন্মেধ্যে এইচএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ০৩ জন ও আলিমে ০৭ জন।

জানা যায়, উপজেলার ৯ টি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ৫শ ৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে পাস করে ৬শত ২৯ জন এবং আলিমে ১৪টি মাদ্রাসা থেকে ৪শ ৬০জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করে ২শ ৯৫ জন।  কচুয়ার অজয় পাড়া গায়ে হাসিমপুর গ্রামে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ ফলাফলের দিক থেকে এবারো উপজেলা পর্যায়ে ১ম স্থান অর্জন করেন।

এ কলেজ থেকে ১৭১জন পরীক্ষা অংশগ্রহন করে ১শ ৫৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন। ২য় স্থান অর্জন করে নিশ্চিন্তপুর ডিএস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা । এ মাদ্রাসা  থেকে ৪৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ০২  জন।

Model Hospital

উপজেলার কলেজ ও মাদ্রাসা গুলোতে এমন ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল করা এবং ফলাফলের এই ধস দেখে অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মহল চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা জানান, ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার অভাব, পাঠদানের মান হ্রাস এবং সার্বিক নজরদারির অভাবেই আজকের এই ফলাফল। দ্রুত এই বিপর্যয় উত্তরণে শিক্ষা বিভাগ ও কলেজ কর্তপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে শিক্ষার মান আরও তলানিতে ঠেকবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।