শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে আন্তর্জাতিক অভিবাসী ও জাতীয় প্রবাসী দিবস পালিত

দেশের সকল অগ্রগতি ও উন্নতিতে প্রবাসীদের অবদান সবচেয়ে বেশি : ডিসি মোহসীন উদ্দিন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৬:৩০ পিএম
দেশের সকল অগ্রগতি ও উন্নতিতে প্রবাসীদের অবদান সবচেয়ে বেশি : ডিসি মোহসীন উদ্দিন

আন্তর্জাতিক অভিবাসী ও জাতীয় প্রবাসী দিবসে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

প্রবাসীর অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার, বৈষমহীন বাংলাদেশ, আমাদের সবার’ এই প্রতিপাদ্যে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের উদ্যোগে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসী ও জাতীয় প্রবাসী দিবস।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসন এবং জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের আয়োজনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আলোচনা, চেক বিতরণ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

তিনি বক্তব্যে বলেন, প্রবাসে গিয়ে একজন প্রবাসী শুধু পরিবার নয়, দেশের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছে। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ফলে দেশের বেকারত্ব দূরীকরণ ও দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে অনেক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রবাসীরা যদি সঠিক মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠায় তাহলে দেশ আরোও এগিয়ে যাবে। দেশের সকল অগ্রগতি ও উন্নতিতে প্রবাসীদের অবদান সবচেয়ে বেশি। এই রেমিট্যান্স তাদের কঠোর শ্রমের ফসল। সরকার সঠিক পথে রেমিট্যান্স দেশে আনতে প্রবাসীদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করে আসছে।

এছাড়াও প্রবাসীদের পরিবার ও সন্তানদের বিভিন্ন উপায়ে সুযোগ সুবিধা ও প্রদান করছে।

তিনি বলেন, বিদেশে শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। বিদেশে শ্রমিকরা অনেক সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকে। তাদের সমস্যা সমাধানে দূতাবাসগুলো কাজ করছে। আমরা বিদেশে অবস্থানরত শ্রমিকদের সমস্যা গুরুত্বের সাথে দেখি। প্রবাসীদের জন্য সরকার অনেক সুযোগ সুবিধা দিয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, অবৈধ এজেন্সি যাতে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকবে হবে। কারন অনেক সময় একটি নিরীহ পরিবার তার সব কিছু বিক্রি করে বিদেশে যায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে যদি তারা প্রতারণার শিকার হয়। তাহলে সেই পরিবারটি কিন্তু একেবারে নিঃস্ব হয়ে যায়। কাজেই এসব বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। আর আমাদের সরকারি যারা দায়িত্বে আছেন তাদেরেও বড় ভূমিকা পালন করতে হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) রাশেদুল হক চৌধুরী, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শাহাদাত হোসেন শান্ত।

আলোচনা সভায় অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ শিরিন আক্তার, এনআরবিসি ব্যাংকের এরিয়া ইনচার্জ ফারুক হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক চাঁদপুর শাখার ব্যবস্থাপক মাহি আলম, ব্যাংকার ফোরামের সভাপতি ফারুক হোসেন।

সিমস্ প্রকল্পের জেলা স্বমন্বয়ক নাজমুল আহাসান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital