বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

শাহারাস্তিতে বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে উধাও এনসিপি আহ্বায়ক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৫ পিএম
শাহারাস্তিতে বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে উধাও এনসিপি আহ্বায়ক

Oplus_16908288

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাহরাস্তি পৌর আহবায়ক শেখ রহমত উল্লাহ উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শাহরাস্তি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই নারীর শ্বশুর হারুনুর রশিদ। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বাহরাইন প্রবাসী ইব্রাহিম খলিলের স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে তার চাচাতো ভাই শেখ রহমত উল্লাহ বাড়ি থেকে চলে যান। রহমত উল্লাহ শাহরাস্তি পৌরসভা এনসিপির আহ্বায়ক বলে জানা গেছে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রহমত উল্লাহ ও মরিয়ম বেগমের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন। বিষয়টি পারিবারিকভাবে জানাজানি হওয়ার পর শনিবার রাতে তারা দুজন একসঙ্গে চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর থেকে তাদের দুজনের মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে।

ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা তাদের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রোববার সকালে রহমত উল্লাহর স্ত্রী এবং ইব্রাহিম খলিলের দুই কন্যা সদস্যদের সঙ্গে শাহরাস্তি থানায় উপস্থিত হন।

Model Hospital

ইব্রাহিম খলিলের ভগ্নিপতি জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, “তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্কের বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। বিষয়টি ইব্রাহিমকে জানানো হয়। পরে পারিবারিকভাবে বিষয়টি জানাজানি হলে শনিবার রাতে তারা দুজন চলে যান।”

এদিকে মরিয়ম বেগমের শ্বশুর ও অভিযোগকারী হারুনুর রশিদ দাবি করেন, তার পুত্রবধূ বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ সঙ্গে নিয়ে গেছেন।

ঘটনার পর মরিয়ম বেগমের দুই শিশু সন্তানও মায়ের সন্ধানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থানায় আসে। তারা মায়ের খোঁজ পেতে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, “এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।