চাঁদপুরে ২৪ ঘন্টায় ১১ জনের মৃত্যু
গত ২৪ ঘন্টায় চাঁদপুরে পৃথক ৪টি ঘটনায় ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় জনমনে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।

জানা গেছে, মানসিক ভারসাম্যহীন সুফিয়া বেগম তার পিতার বাড়ি একই ইউনিয়নের সেকদি হাজী বাড়ীতে বসবাস করতেন। নি:সন্তান সুফিয়া গত ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নিখোঁজ হন এ বাড়ি থেকে। পরে পরিবারের লোকজন আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুজি করে নিখোঁজের সংবাদে স্থানীয়ভাবে মাইকিং করে।

সোমবার সকালে মদনের গাঁও গ্রামের চৌধুরী বাড়ির পুকুরে তার মরদেহ ভাসমানবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। সংবাদ পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে শাহরাস্তিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মেহেদী হাসান (১৪) নামে এক ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ওই সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার দুই বন্ধু নেওয়াজ (১৪) ও রবিন (১৩) বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হয়ে প্রাণে বেঁচে যায় ।
সোমবার দুপুরে উপজেলার সূচিপাড়া উত্তর ইউপির চাঁদপুর গ্রামের মাইজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, ওইদিন সূচিপাড়া উবির ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী বন্ধুদের সঙ্গে রাস্তার উপর খেলাধুলা করছিল। তখন বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ছুটে পড়া বিদ্যুৎসহ তারে মেহেদী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে। ওই সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে দুই বন্ধু নেওয়াজ ও রবিন বিদ্যুৎপৃষ্ঠে আহত হয়ে আত্মচিৎকার শুরু করে।
মেহেদীর বৃদ্ধ পিতা মিজানুর রহমান জানান, ডাক চিৎকার শুনে আমি দৌড়ে গিয়ে শুকনো বাঁশ দিয়ে সন্তানকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করি। পরবর্তীতে তাকে শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে হাজীগঞ্জের বাকিলায় বোগদাদ বাসের চাপায় চাঁদপুর সদর এলাকার কুমড়ারঢুগি খান বাড়ির জুলহাস খান নামের এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।
সন্ধায় বাকিলা বাজারে বিপরীত দিক থেকে আসা বোগদাদ ট্রান্সপোর্ট মোটরসাইকেল আরোহী জুলহাসকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় নির্মাণ শ্রমিকরা তাকে দ্রুত চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঢাকা থেকে চাঁদপুর যাওয়ার পথে জৈনপুর পরিবহন দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১ জন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
এসকল ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রায় ১৫ জন।






