বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দাউদকান্দিতে মতলব উত্তরের রনির ম র দে হ উ দ্ধা র, আটক ১

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:০৮ পিএম
দাউদকান্দিতে মতলব উত্তরের রনির ম র দে হ উ দ্ধা র, আটক ১

মতলব উত্তরে মো. শাহাদাৎ হোসেন ওরফে রনি’র খুনী ঘাতক রনিকে আটক করেছে দাউদকান্দি থানা পুলিশ। ইনসেটে নিহত মো. শাহাদাৎ হোসেন ওরফে রনি।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় মতলব উত্তর উপজেলার মো. শাহাদাৎ হোসেন ওরফে রনি (৩৬) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার পুলিশ বুধবার বিকেলে উপজেলার ভিকতলা গ্রামের একটি বাড়ির তালাবদ্ধ কক্ষের দরজা ভেঙে লাশটি উদ্ধার করে।
শাহাদাৎ স্থানীয় ইলিয়টগঞ্জ বাজারের হালুয়া-রুটির ব্যবসা করতেন।
নিহত শাহাদাৎ হোসেনের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি গ্রামে।
তিনি দাউদকান্দির ভিকতলা গ্রামের একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারে ব্যবসা করতেন।
মৃত মো. শাহাদাৎ হোসেন ওরফে রনির সংসারে রয়েছে পিতা, মাতা, স্ত্রী, ২৩ মাস বয়সের একটি কনে সন্তান ও ১৪ দিনের একটি ছেলে রয়েছে। ওই দিনেই মরহুমের বোন ফারজানা আক্তার  বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় মামলা দায়ের করে।
মৃত্যুর পর থেকেইে শাহাদাৎ হোসেনের ওরফে রনির কর্মচারী খুনি রনি পলাতক থাকলে ও শেষ রক্ষা হয়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোর রাতে মতলব উত্তরের রামদাশপুর এলাকা থেকে দাউদকান্দি থানা পুলিশ তাকে আটক করে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) ৩টার সময় দাউদকান্দি থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মতলব উত্তরের ফরাজীকান্দি গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছায় মো. শাহাদাৎ হোসেন ওরফে রনি কফিনবন্দি লাশ। তাকে একনজর দেখতে অ্যাম্বুলেন্সের পিছু ছুটে আসে হাজারো মানুষ। তখন বাড়িজুড়ে আহাজারি আর কান্নার রোল। বড় ছেলেকে হারিয়ে বুক চাপড়ে কাঁদতে থাকেন মা রহিমা বেগম, বাবা আসলাম রাঢ়ী, বোন ও প্রতিবেশীদের আহাজারিতে নেমে আসে শোকের আবহ। বাদ আছর ফরাজীকান্দি মাদ্রাসা মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের দুই সদস্য বলেন, গত সোমবার সকালেও ব্যবসায়ী শাহাদাৎ বাজারের হালুয়া-রুটি বিক্রি করেন। এর পর থেকে তাঁকে আর দেখা যায়নি। বাড়ির মালিক আবদুর রাজ্জাক আজ সকাল আটটার দিকে একটি তালাবদ্ধ কক্ষের ভেতরে তাঁর লাশটি দেখতে পান। খবর পেয়ে দাউদকান্দি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবসায়ী লাশটি উদ্ধার করেন।
শাহাদাৎ হোসেনের বাবা আছলাম রাঢ়ী এলাকায় ভাড়া থেকে হালুয়া রুটি বিক্রি করতেন। শাহাদাৎ হোসেনও বাবার সঙ্গে প্রায় ১৫ বছর ধরে এ এলাকায় হালুয়া রুটি বিক্রি করেছেন। এক বছর আগে তাঁর বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। পরে তিনি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার রনি নামের এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে হালুয়ারুটি বিক্রি করতেন। শাহাদাৎ হোসেনের সহযোগী রনি পলাতক আছেন।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, মামলায় উল্লেখিত এজাহারভুক্ত আসামীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত আসামী কোর্টে ১৬৪ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital