বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:০৭ পিএম
কচুয়ায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া

কচুয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতা ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা দোয়া মাহফিলের একাংশ।

কচুয়ার পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতা ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রী কলেজে হুলরুমে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

পৌর বিএনপির সভাপতি বিল্লাল হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে ও বিএনপি নেতা গাজী মোস্তফার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারন সম্পাদক শাহ জালাল প্রধান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সেলিম পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপির নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম,উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নূর আহমদ,পৌর যুবদলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন আবেগ,পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম জাহিদ,পৌর যুবদলের সহ-সভাপতি সোহেল আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক জাফরুল হাসান,মহিলা নেত্রী শাহিনা আক্তার প্রমুখ।

Model Hospital

এসময় উপজেলা,পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনয়নের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা শেষে মহান স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবর্তক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মা মাগফিরাত, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া,কচুয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনম ড.এহছানুল হক মিলন ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজমুন নাহার বেবী সুস্থ্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।