বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলবে মাদক ও অনৈতিক কাজের প্রতিবাদ করায় ২যুবকে কু পি য়ে জ খ ম

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪২ পিএম
মতলবে মাদক ও অনৈতিক কাজের প্রতিবাদ করায় ২যুবকে কু পি য়ে জ খ ম
চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ওরশ শরীফ কে কেন্দ্র করে জুয়া, মাদকের আড্ডা, মহিলাদের দিয়ে নাচ গানের আসরে বসিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ডে প্রতিবাদ করায়  শামীম হোসেন কাজল (৩৬) ও মোঃ মেহেদী হাসান (৩০) নামে দুই যুবকে  এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করেছে মাদক কারবারিরা।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০ জানুয়ারী ছেংগারচর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড জোড়খালী (ফকির বাড়ির) রিপন বেপারী (৩০), মোঃ হোসেন (৩৫), মোঃ রিয়াদ হোসেন, মোঃ নিজাম উদ্দিন (৪৫) কে আসামী করে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হক  ১৪৩/৩২৩/৩২৫/ ৩০৭/৫০৬ ধারায় পেনাল কোডে মামলা রুজু করেন। থানার মামলা নং ৩৬।
মামলার এজাহার থেকে জানাযায় ১৮ জানুয়ারী দিবাগতরাতে ছেংগারচর পৌরসভার জোড়খালী ফকিরের মাজারের বার্ষরীক ওরশ শরীফের অনুষ্ঠন চলা কালে রিপন বেপারী, মোঃ হোসেন, মোঃ রিয়াদ হোসেন, মোঃ নিজাম উদ্দিন সহ আরো কয়েক জন লোকজন দলবদ্ধ হয়ে গাঁজা সেবন করতে থাকে আর মহিলাদের কে দিয়ে নাচ গানের আসর বসিয়ে জুঁয়া ও  অনৈতিক কর্মকান্ড করে। শামীম হোসেন কাজল, মোঃ মেহেদী হাসান সহ কয়েকজন স্থানীয় লোকজন  গিয়ে তাদের বলে ওরশ শরীফে এসে এস মাদক ও নারীদের দিয়ে নাচ গান না করতে।
এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে হঠাৎ করে পেছন থেকে এসে প্রাণ নাশের উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র দা, চেনী, লাঠি দিয়ে শামীম হোসেন কাজল ও মোঃ মেহেদী হাসান কে মাইরধোর ও কুপিয়ে গুরুত্ব জঘম করে। কাজল ও মেহেদীকে গুরুতর  আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা হাসপাতালে নিলে মাথায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারনে কর্তব্যরত ডাক্তার শামীম হোসেন কাজল ও মেহেদী হাসানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার করে।
এই ঘটনায় শামীম হোসেন কাজলের মাথায় ৮ টি সেলাই ও মেহেদী হাসান এর মাথায় ৭ টি সেলাই দিতে হয়েছে।
চিকিৎসা নিয়ে এসে ২৬ জানুয়ারি দুপুরে শামীম হোসেন কাজল সাংবাদিকদের জানায় ওরশ শরীফের পবিত্রতা নষ্ট করে রিপন বেপারী, মোঃ হোসেন, মোঃ রিয়াদ হোসেন, মোঃ নিজাম উদ্দিন সহ আরো কয়েক জন দলবদ্ধ হয়ে গাঁজা সেবন করতে থাকে আর মহিলাদের কে দিয়ে নাচ গান করিয়ে জুঁয়া খেলে। আমরা এলাকাবাসী এর প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে ও মেহেদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিছন থেকে এসে দেশীয় অস্ত্রদিয়ে এলোপাতাড়ি মাইরধোর করে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। ৩ ও ৪ নং আসামি জামিনে আসলেও প্রধান ২ জন আসামী প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
এজাহার ভুক্ত আসামী হয়েও তারা নিজ বাড়িতে থাকে, ঘুরে বেড়াচ্ছে নিজ এলাকায়ও। অথচয় মতলব উত্তর থানা থেকে মিনিট পাঁচেক দূরেই আবস্থিত এজাহার ভুক্ত  আসামীদের বাড়ি।
আসামীরা নিজ বাড়িতে থাকা শর্তেও আসামীদের ধরার ব্যাপারে নেই কোন পুলিশি তৎপরতা।আমি মামলার বাদী ও এলাকার লোকজন আসামীদের অবস্থান জানিয়ে পুলিশকে ধরতে বললে পুলিশ আসি, আসতেছি গাড়ি নেই বলেও গড়িমসি করতে থাকে।
এদিকে আসামী পক্ষ বিভিন্ন লোকজন দিয়ে মামলা তুলার জন্য চাপ সৃষ্টি করতেছে, বিভিন্ন হুমকি থামকি দিয়ে আসছে। আমরা আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার চাই। তাদের বিচার চাই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital