শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ইসলামী যুব আন্দোলনের চাঁদপুর জেলা সভাপতি ইমরান, সম্পাদক নেয়ামতুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:৪২ পিএম
ইসলামী যুব আন্দোলনের চাঁদপুর জেলা সভাপতি ইমরান, সম্পাদক নেয়ামতুল্লাহ

জেলা যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল মুফতী মানসুর আহমেদ সাকী।

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর চাঁদপুর জেলা যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাবে দ্বিবার্ষিক জেলা যুব সম্মেলনের আয়োজন করে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখা। সম্মেলনে আগামী ২০২৫/২৬ সেশনের জন্য চাঁদপুর জেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ইমরান হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হাফেজ নেয়ামতুল্লাহর নাম ঘোষণা করা হয়।
জেলা যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল মুফতী মানসুর আহমেদ সাকী।
তিনি বলেন, ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রত্যেকটি নেতাকর্মী যেভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে ছিল ঠিক সেভাবে সকল জুলুমবাজ, চাঁদাবাজ ও অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে যুব আন্দোলনকে ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। যাতে করে প্রত্যেকটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা যায়।
দেশের মানুষ ১৭ বছর বিভিন্ন জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছে। নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। অনেক মামলা হামলা শিকার হয়েছে ওলামায়ে কেরাম সহ সাধারণ মানুষ। আর কোন নতুন ফ্যাসিবাদকে আমরা এ দেশে দেখতে চাই না। রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে। সকল সংস্কার নিশ্চিত করে তারপর নির্বাচন দিতে হবে। কারণ সংস্কার করার জন্যই এই অভ্যুত্থান হয়েছে। স্বাধীনতার ৫৩ বছরে এদেশের সকল মন্ত্রী এমপি নেতারা দুর্নীতিবাজ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে তাদেরকে আগামী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
জেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ইমরান হোসাইনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা শেখ মুহাম্মাদ জয়নাল আবেদীন, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাওলানা মাকসুদুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি কেএম ইয়াসিন রাশেদসানী, সেক্রেটারি শাহজালাল গাজী সোহাগ।
ইসলামী যুব আন্দোলনের জেলা সাধারণ সম্পাদক হাফেজ নেয়ামতুল্লাহর পরিচালনায় এছাড়াও সম্মেলনে আরো জেলা ইসলামী আন্দোলনের সাবেক প্রচার ও দাওয়া সম্পাদক মাওলানা হেলাল আহমেদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নুরুদ্দিন, জেলা শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি আবুল বাশার তালুকদার, সদর উপজেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মতলব দক্ষিণ উপজেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মঈন উদ্দিন, মতলব উত্তর উপজেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মাইনুদ্দীন সুজন, চাঁদপুর পৌর যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ওমায়ের খান রাহাত।
সম্মেলনে আগামী ২০২৫/২৬ সেশনের জন্য চাঁদপুর জেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ইমরান হোসাইন, সহ-সভাপতি মাওলানা মঈনুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হাফেজ নেয়ামতুল্লাহর নাম ঘোষণা করা হয়। পরে প্রধান অতিথি নবগঠিত কমিটির নেতাদের শপথ বাক্য পাঠ করা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital