শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

আহত ১

দুই শতাংশ জমিকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৩৫ পিএম
দুই শতাংশ জমিকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইউসুফ পাটোয়ারী (৪৫) নামে একজন খুন হয়েছেন।
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ঘোষেরহাট (মিয়ার বাজার) নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের পশ্চিম কুমারডুগী পাটওয়ারী বাড়ির বাসিন্দা কলিম উল্যাহ পাটওয়ারীর বড় ছেলে ইব্রাহীমকে পুকুরপাড় থেকে জোর করে তাদের ঘরে নিয়ে যায় মহিউদ্দিন, তার স্ত্রী ও ছেলে। তারা ধারালো ছুরি দিয়ে ইব্রাহীমকে বুকে ও ঘাড়ে কুপিয়ে আহত করে। তার চিৎকার শুনে ইউসুফ এগিয়ে গেলে তার মাথায় ও গলায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। আহত ইউসুফ ঘর থেকে বের হয়ে নিজ ঘরের সামনে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সেখান থেকে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আর ইব্রাহীমকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়।
হত্যার শিকার ইউসুফ তাদের পাশের অংশীদার আপন খালা রোকেয়া বেগমের মেয়ে হালিমাকে বিয়ে করেন। রোকেয়া বেগম বলেন, আমার মেয়ের জামাতাকে যারা খুন করেছে তারা আমার বোন ফিরোজার ছেলে, স্ত্রী ও নাতি। তারা গত প্রায় ৪ বছর জোরপূর্বক ইউসুফদের কাছ থেকে দুই শতাংশ সম্পত্তি দাবি করে আসছে। কিন্তু তারা কোনো সম্পত্তি পাবে না। কারণ বাবাই তাদের ১০ শতাংশ সম্পত্তির মধ্যে ৮ শতাংশ বিক্রি করে দিয়েছেন। এসব নিয়ে বহুবার সমাধানের চেষ্টা হয়েছে, তারা তা মানে না। শেষ পর্যন্ত তারা ইউসুফকে কুপিয়ে হত্যা করল। ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত মাইনুদ্দিন প্রধানীয়া, তার স্ত্রী খোদেজা বেগম ও তার ছেলে রঞ্জন প্রধানীয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকুর চাকমা সহ চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের একদল সদস্য ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করেন। এমন মর্মান্তিক ঘটনার খবর শুনে আশপাশের এলাকার শত শত মানুষ এ বাড়িতে ভিড় জমায়।
নিহত ইউসুফের দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে তৌসিফ পাটওয়ারী দশম শ্রেনীতে পড়ে এবং ছোট ছেলে ইয়াছিন পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্র। সে চাঁদপুর শহরের হকার্স মার্কেটে একটি মোবাইলের দোকানে দীর্ঘদিন যাবত ব্যবসা করে আসছেন। আর অভিযুক্ত আটক মাইনুদ্দিন প্রধানীয়া পেশায় একজন ভ্যান চালক। ইউসুফের মা হনুফা বেগম জানান, সম্পত্তিগত সমস্যাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় তারা আমাদের উপর অত্যাচার করে আসছে। পুকুর ঘাটে গেলে ইট মারতো, আমাদের বাঁশ কেটে নিয়ে যেতো।
এ নিয়ে কয়েকবার শালিসি বৈঠক হয়েছে। আজ তারা আমার ছেলেকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিল।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকুর চাকমা বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আসামি মাইনুদ্দিন, তার ছেলে রঞ্জন ও স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত কাজ চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital